ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ট্যাবলেট - ৪০ mg জিংক
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক 1-3 বার
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: সিরাপ - ২০ mL (৪ চা চামচ)
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক 1-3 বার

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: 2 থেকে 6 মাস বয়সী শিশু
ডোজ: ট্যাবলেট - ১০ mg
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক একবার
সময়কাল: 10-14 দিন
বয়স: 6 মাস থেকে 5 বছর বয়সী শিশু
ডোজ: ট্যাবলেট - ২০ mg
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক একবার
সময়কাল: 10-14 দিন
সেবনবিধি

জিংক সালফেট মনোহাইড্রেট মুখে সেবনের জন্য ডিসপারসিবল ট্যাবলেট বা ওরাল সলিউশন হিসেবে ব্যবহার করুন, যা ভালো শোষণের জন্য দুই খাবারের মাঝবর্তী সময়ে গ্রহণ করা আদর্শ; তবে পাকস্থলীতে অস্বস্তি হলে এটি খাবারের সাথে নেওয়া যেতে পারে। ডিসপারসিবল ট্যাবলেটগুলো সেবনের আগে পাঁচ মিলিলিটার পরিষ্কার পানি বা বুকের দুধে সম্পূর্ণভাবে গুলিয়ে নিতে হবে। শিরায় ব্যবহারের ক্ষেত্রে, জিংক সালফেটকে প্যারেন্টারাল নিউট্রিশন সলিউশনের সাথে মিশ্রিত করে পাতলা করতে হবে এবং ওসমোলারিটির ওপর ভিত্তি করে কেন্দ্রীয় বা পেরিফেরাল ভেনাস ইনফিউশনের মাধ্যমে প্রয়োগ করতে হবে। আয়রন, ক্যালসিয়াম লবণ বা টেট্রাসাইক্লিনের সাথে এটি সেবন এড়িয়ে চলুন এবং দুই ওষুধের মাঝখানে অন্তত তিন ঘণ্টার ব্যবধান নিশ্চিত করুন। বৃক্কের সমস্যা থাকলে শরীরে জিংক জমা হওয়া এবং কপার বা তামার ঘাটতি রোধ করতে ডোজ সমন্বয় এবং রক্তে জিংক ও কপারের মাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। শিশু এবং নবজাতকদের ক্ষেত্রে প্যারেন্টারাল ফর্মুলেশন থেকে অ্যালুমিনিয়াম বিষক্রিয়ার বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
No interactions listed
কোনো প্রতিক্রিয়া উল্লেখ করা হয়নি

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Keep in a dry place away from light and heat. Keep out of the reach of children.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।