ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: অ্যাটপিক একজিমা, সোরিয়াসিস, জেরোডার্মা এবং অন্যান্য দীর্ঘস্থায়ী শুষ্ক ত্বকের অবস্থার সাথে সম্পর্কিত ইকথায়োসিস এবং হাইপারকেরাটোটিক ত্বকের ব্যাধি
ডোজ: ক্রিম/লোশন - ১০-২৫%
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে দুইবার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: আক্রান্ত ত্বকে টপিক্যালি প্রয়োগ করুন

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: পেডিয়াট্রিক
ডোজ: ডোজ সহ ডোজেজ ফর্ম - কোনো অনুমোদিত শিশুতোষ ডোজ উপলব্ধ নেই
বিশেষ দ্রষ্টব্য: সুপারিশকৃত নয়
সেবনবিধি

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ইউরিয়া টপিক্যাল পণ্যগুলো দিনে সাধারণত এক থেকে তিনবার আক্রান্ত ত্বক বা নখে বাহ্যিকভাবে ব্যবহার করুন। ত্বকে আর্দ্রতা বজায় রাখতে গোসল বা ধোয়ার পরপরই ত্বক যখন ভেজা থাকে, তখন অল্প পরিমাণে বা পাতলা স্তর হিসেবে প্রয়োগ করুন এবং সম্পূর্ণ শোষিত না হওয়া পর্যন্ত ঘষুন। নখের চিকিৎসার ক্ষেত্রে এটি পর্যাপ্ত পরিমাণে ব্যবহার করুন এবং প্রয়োজনে একটি আঠালো ব্যান্ডেজ বা গজ দিয়ে ঢেকে দিন। চোখ, ঠোঁট, মিউকাস মেমব্রেন অথবা গুরুতরভাবে ফাটা বা খসখসে ত্বকের মতো সংবেদনশীল স্থানে এটি ব্যবহার করবেন না। ব্যবহারের পর হাত ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন, যদি না হাত চিকিৎসার স্থান হয়ে থাকে। টপিক্যাল ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাধারণত বৃক্ক বা যকৃতের সমস্যার জন্য মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না, তবে স্থানীয় জ্বালাপোড়া বা সাময়িক চুলকানির দিকে নজর রাখুন, বিশেষ করে উচ্চ ঘনমাত্রার ক্ষেত্রে। শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য বা উপসর্গ অব্যাহত থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
Lithium
লিথিয়ামের নিষ্কাশন বেড়ে যায়

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Keep out of the reach of children. Do not freeze. Keep at cool and dry place.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।