ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: ওটিটিস এক্সটার্না
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ওটিক ড্রপ - 2-3 ড্রপ
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক দুই থেকে তিনবার

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: কানের নালীর সংক্রমণ
বয়স: শিশু
ডোজ: ওটিক - 2 থেকে 3 ড্রপ
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক দুই থেকে তিনবার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: ওটিক রুট

কিডনি রোগীদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
অবস্থা: কিডনির কার্যকারিতা হ্রাস
ডোজ: নির্দিষ্ট নয়
বিশেষ দ্রষ্টব্য: মাত্রা কমানোর প্রয়োজন হতে পারে
সেবনবিধি

আক্রান্ত কানের নালীর ভেতরে বাহ্যিকভাবে প্রয়োগ করুন। প্রয়োগের আগে কানের বাইরের অংশটি আলতো করে পরিষ্কার এবং শুকিয়ে নিন। ব্যবহারের সময় মাথা একদিকে কাত করুন অথবা আক্রান্ত কানটি ওপরের দিকে রেখে শুয়ে পড়ুন। ড্রপার দিয়ে সরাসরি কানের ছিদ্রে নির্দিষ্ট সংখ্যক ড্রপ (সাধারণত ২-৩ ড্রপ) দিন, দূষণ রোধ করতে ড্রপারের অগ্রভাগ দিয়ে কান স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। কানের নালীর ভেতরে ওষুধটি পুরোপুরি প্রবেশ করার জন্য কয়েক মিনিট মাথা কাত করে রাখুন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কানের পর্দা ছিদ্র থাকলে এটি ব্যবহার করবেন না। বৃক্ক বা যকৃতের গুরুতর সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সিস্টেমিক সঞ্চালনের তাত্ত্বিক ঝুঁকির কারণে ডোজ কমানোর প্রয়োজন হতে পারে, যদিও অক্ষত কানের নালী থেকে ওষুধ শোষণের মাত্রা খুবই সামান্য। শিশুদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
Iron, Vitamin B12
রক্তশূন্যতায় আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে কার্যকারিতা কমে যায়
Phenobarbital, Rifampin
ক্লোরামফেনিকলের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
কানের পর্দা ছিদ্র
অভ্যন্তরীণ কানের ক্ষতির ঝুঁকি
হারপিস সিমপ্লেক্স
ভাইরাল সংক্রমণ আরও বাড়াতে পারে

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ

তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।