ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: ড্রপস - ১ থেকে ২ ফোঁটা ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক 4 বার পর্যন্ত বিশেষ দ্রষ্টব্য: আক্রান্ত চোখে প্রয়োগ করুন। |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: শিশু |
ডোজ: কোনো অনুমোদিত শিশুর ডোজ উপলব্ধ নেই বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রস্তাবিত নয় |
সেবনবিধি
চক্ষু চিকিৎসার ক্ষেত্রে, শুষ্কতার কারণে জ্বালাপোড়া এবং অস্বস্তি থেকে সাময়িক উপশমের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী আক্রান্ত চোখে ১ থেকে ২ ফোঁটা লুব্রিকেন্ট সলিউশন ব্যবহার করুন। ব্যবহারের আগে হাত ধুয়ে নিন এবং ড্রপারের মাথা যেন চোখ বা অন্য কোনো পৃষ্ঠ স্পর্শ না করে তা নিশ্চিত করুন যাতে সংক্রমণ না ছড়ায়। যদি একাধিক চোখের ওষুধ ব্যবহার করেন, তবে একটি ব্যবহারের অন্তত ৫ থেকে ১০ মিনিট পর অন্যটি ব্যবহার করুন এবং মলম ব্যবহারের আগে ড্রপ ব্যবহার করুন। ড্রপ ব্যবহারের আগে কন্টাক্ট লেন্স খুলে ফেলতে হবে এবং নির্দিষ্ট ফর্মুলেশন অনুযায়ী ১৫ মিনিট পর পুনরায় পরা যেতে পারে। যদি চোখে ব্যথা, দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তন অথবা লালভাব ৭২ ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হয়, তবে ব্যবহার বন্ধ করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কক্ষ তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করুন এবং ব্যবহারের পর বোতলের মুখ ভালোভাবে আটকে রাখুন।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- ঝাপসা দৃষ্টি
- চোখে ব্যথা
- মাথাব্যথা
- চুলকানি/জ্বালা
- চোখের ভিতরে এবং চারপাশে লালভাব
- ত্বকের ফুসকুড়ি
- চোখের পাতার ক্রাস্টিং (পলেস্তারা পড়া)
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
No interactions listed
|
কোন প্রতিক্রিয়া নথিভুক্ত নেই
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
|
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।