ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: 12 বছরের বেশি বয়সী কিশোর-কিশোরী |
ডোজ: ট্যাবলেট - ১-২ ট্যাবলেট ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক |
|
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: ট্যাবলেট - ২-৩ ট্যাবলেট ফ্রিকোয়েন্সি: প্রতি 8 থেকে 12 ঘণ্টা পর পর বিশেষ দ্রষ্টব্য: দৈনিক |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: 12 বছরের বেশি বয়সী কিশোর-কিশোরী |
ডোজ: ট্যাবলেট - ১-২ ট্যাবলেট ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক এক বার |
|
বয়স: শিশু (6-12 বছর) |
ডোজ: সিরাপ - ১০ ml ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক তিন বার |
সেবনবিধি
বিউটামিরেট সাইট্রেট সিরাপ, ড্রপ বা সাসটেইনড-রিলিজ ট্যাবলেট আকারে সাধারণত খাবার আগে বা পরে মুখে সেবন করুন। ওষুধের কার্যকারিতা বজায় রাখার জন্য সাসটেইনড-রিলিজ ট্যাবলেটগুলো চিবানো বা গুঁড়ো না করে আস্ত গিলে ফেলতে হবে। সিরাপ এবং ড্রপের সঠিক মাত্রা নিশ্চিত করতে সরবরাহকৃত পরিমাপক যন্ত্র ব্যবহার করুন। চিকিৎসা সাধারণত লক্ষণ থাকা পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকে, যা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ৪ থেকে ৫ দিনের বেশি হওয়া উচিত নয়। মেটাবোলাইট জমার সম্ভাবনার কারণে যকৃৎ বা বৃক্কের সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন। এটি ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য নিষিদ্ধ এবং গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস ও স্তন্যদানকালে সাধারণত এড়িয়ে চলা হয়। শ্লেষ্মা জমে যাওয়া রোধ করতে কফ নিঃসারক ওষুধের (expectorants) সাথে এর ব্যবহার পরিহার করুন।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- চামড়ার ফুসকুড়ি
- বমি বমি ভাব
- ডায়রিয়া বা মাথা ঘোরা
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
Expectorants
|
শ্বাসনালীতে শ্লেষ্মা আটকে থাকতে পারে
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
|
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।