ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: স্প্যাস্টিসিটি; পেশী খিঁচুনি
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ওরাল - ৫০-১৫০ mg
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক তিনবার
নির্দেশনা: স্প্যাস্টিসিটি; পেশী খিঁচুনি
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ইন্ট্রামাসকুলার - একটি ampoule
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক দুইবার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: ইনজেকশনটি ধীরে ধীরে দিতে হবে।

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: স্প্যাস্টিসিটি; পেশী খিঁচুনি
বয়স: 6 বছরের কম
ডোজ: ওরাল - প্রতিদিন ৫ mg/kg
ফ্রিকোয়েন্সি: তিনটি বিভক্ত মাত্রায়
নির্দেশনা: স্প্যাস্টিসিটি; পেশী খিঁচুনি
বয়স: 6-14 বছর
ডোজ: ওরাল - প্রতিদিন ২-৪ mg/kg
ফ্রিকোয়েন্সি: তিনটি বিভক্ত মাত্রায়
সেবনবিধি

মুখের মাধ্যমে বা মাংসপেশিতে ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রয়োগ করুন। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ওরাল ডোজ হলো ৫০-১৫০ মিগ্রা দিনে তিনবার, যা শোষণ ক্ষমতা বাড়াতে এবং পাকস্থলীর অস্বস্তি কমাতে খাবারের পর এক গ্লাস পানি দিয়ে সেবন করতে হয়। শিশু রোগীদের ক্ষেত্রে ওরাল ডোজ হলো ৫ মিগ্রা/কেজি/দিন (৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য) অথবা ২-৪ মিগ্রা/কেজি/দিন (৬-১৪ বছর বয়সীদের জন্য), যা ৩টি বিভক্ত ডোজে দিতে হবে। মাংসপেশিতে প্রয়োগের ক্ষেত্রে দিনে দুইবার একটি অ্যাম্পুল (১০০ মিগ্রা) ধীরে ধীরে ইনজেকশন দিতে হয়। বৃক্ক বা যকৃতের বৈকল্য রয়েছে এমন রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন, কারণ ডোজ সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে ইনজেকশনযোগ্য ফর্মের সুরক্ষা এবং কার্যকারিতা এখনও প্রতিষ্ঠিত নয়।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
Methocarbamol
পার্শ্বক্রিয়া আছে, কিন্তু প্রভাব নির্দিষ্ট করা হয়নি

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
মায়াস্থেনিয়া গ্রেভিস
পেশীর দুর্বলতা বাড়াতে পারে

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Keep below 30°C temperature, away from light & moisture. Keep out of the reach of children.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।