ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: প্রয়োগ করুন ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক 3-4 বার সময়কাল: 3-5 দিন |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
নির্দেশনা: মৃদু রোদে পোড়া এবং অন্যান্য ক্ষুদ্র ত্বকের সমস্যার লক্ষণ থেকে মুক্তি বয়স: শিশু |
ডোজ: টপিক্যাল - আক্রান্ত অংশে আলতোভাবে প্রয়োগ করুন বিশেষ দ্রষ্টব্য: টপিক্যাল |
সেবনবিধি
লোশন বা সাসপেনশন হিসেবে আক্রান্ত স্থানে দিনে তিন থেকে চার বার অথবা প্রয়োজন অনুযায়ী আলতো করে লাগান। ব্যবহারের আগে পাত্রটি ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে নিন যাতে মিশ্রণটি সমান হয়, এরপর হালকা সাবান ও পানি দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করে সম্পূর্ণ শুকিয়ে নিন। তুলা বা নরম কাপড় দিয়ে পাতলা স্তর করে লাগান; চোখ, মুখ, নাক এবং মিউকাস মেমব্রেন থেকে দূরে রাখুন। এটি শুধুমাত্র বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য এবং ক্ষতবিক্ষত বা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ত্বকে প্রয়োগ করা উচিত নয়। দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে শিশুর দুর্ঘটনাবশত এটি গিলে ফেলা রোধ করতে স্তন এলাকায় ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত। যদি অবস্থার অবনতি হয় বা সাত দিনের বেশি লক্ষণ স্থায়ী হয়, তবে ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ত্বকে প্রয়োগের ফলে এটি রক্তে খুব সামান্যই শোষিত হয়, তাই সাধারণত বৃক্ক বা যকৃতের সমস্যার ক্ষেত্রে বিশেষ ডোজ সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- র্যাশ বা জ্বালাপোড়া হতে পারে
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
-
|
No known drug interactions
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
|
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।