ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: ব্রণের দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ক্যাপসুল - ১ টি ক্যাপসুল
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে একবার
সময়কাল: কমপক্ষে 8 সপ্তাহ
নির্দেশনা: অন্যান্য সংক্রমণ
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ক্যাপসুল - ১ টি ক্যাপসুল
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে দুইবার

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: 12 বছরের কম বয়সী শিশু
ডোজ: প্রতিষ্ঠিত নয়
বিশেষ দ্রষ্টব্য: নিরাপত্তা এবং কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়।
সেবনবিধি

লাইমেসাইক্লিন মুখে সেব্য ক্যাপসুল হিসেবে পাওয়া যায়। খাদ্যনালীর অস্বস্তি এবং ক্ষত হওয়ার ঝুঁকি কমাতে এটি পর্যাপ্ত পানি দিয়ে (কমপক্ষে অর্ধেক গ্লাস) সোজা হয়ে বসা বা দাঁড়ানো অবস্থায় সম্পূর্ণ গিলে সেবন করতে হবে। ওষুধটি খাবারের সাথে বা খাবার ছাড়া নেওয়া যেতে পারে, তবে পরিমিত পরিমাণ দুধ শোষণে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে না। ব্রণের চিকিৎসার জন্য সাধারণত এটি দিনে একবার নেওয়া হয়, তবে অন্যান্য সংক্রমণের ক্ষেত্রে দিনে দুইবার সেবনের প্রয়োজন হতে পারে। বৃক্কের মারাত্মক সমস্যা থাকলে এবং দাঁতে দাগ পড়ার ঝুঁকির কারণে ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। যকৃতের সমস্যা, সিস্টেমিক লুপাস এরিদ্যেমাটোসাস বা মায়াসথেনিয়া গ্রাভিস রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে। অ্যান্টাসিড, আয়রন বা রেটিনয়েড জাতীয় ওষুধের সাথে এটি সেবন করবেন না এবং এই জাতীয় ওষুধের সাথে কমপক্ষে দুই ঘণ্টার ব্যবধান বজায় রাখুন।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
Iron preparations, antacids
শোষণ কমে যায়
Oral Retinoids (Isotretinoin, Acitretin, Tretinoin)
মস্তিষ্কের চাপ বাড়ার ঝুঁকি

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
টেট্রাসাইক্লিন সংবেদনশীলতা
এলার্জিক প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি
মৌখিক রেটিনয়েড ব্যবহার
মস্তিষ্কের চাপ বৃদ্ধির ঝুঁকি

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Store below 25° C. Protect from light.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।