ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: ব্রোঙ্কোডাইলেশন
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
অবস্থা: প্রাথমিক
ডোজ: ওরাল - ১-২ mg
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক দুইবার
নির্দেশনা: ব্রোঙ্কোডাইলেশন
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
অবস্থা: প্রয়োজন হলে
ডোজ: ওরাল - ২ mg
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক তিনবার

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: ব্রোঙ্কোডাইলেশন
বয়স: 1-6 বছর
ডোজ: ওরাল - ০.২৫-০.৫ mg
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক দুইবার
নির্দেশনা: ব্রোঙ্কোডাইলেশন
বয়স: 6-10 বছর
ডোজ: ওরাল - ০.৫-১ mg
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক দুইবার
সেবনবিধি

মুখে সেবন করুন। প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ ডোজ হলো ১-২ মি.গ্রা. দিনে দুবার, যা প্রয়োজনে ৩ বার পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে ডোজ বয়সের ওপর নির্ভরশীল: ১-৬ বছর বয়সীদের জন্য ০.২৫-০.৫ মি.গ্রা. দিনে দুবার, ৬-১০ বছর বয়সীদের জন্য ০.৫-১ মি.গ্রা. দিনে দুবার এবং ১০-১৪ বছর বয়সীদের জন্য ১-১.৫ মি.গ্রা. দিনে দুবার। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারথাইরয়েডিজম আছে এমন রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন। বয়স্ক রোগী বা যাদের কিডনি বা লিভারের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো ডোজ পরিবর্তনের নির্দেশনা নেই, তবে নিবিড় পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেওয়া হয়।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
Digoxin
হৃৎস্পন্দনের ছন্দপতনের ঝুঁকি বেড়ে যায়
Xanthines, Corticosteroids (Prednisone, Prednisolone, Methylprednisolone, Dexamethasone, Hydrocortisone), Diuretics (Chlorothiazide, Chlorthalidone, Hydrochlorothiazide, Indapamide, Metolazone, Bumetanide, Ethacrynic acid, Furosemide, Torsemide, Amiloride, Eplerenone, Spironolactone, Triamterene)
একসাথে ব্যবহারে রক্তে পটাসিয়ামের মাত্রা কমে যেতে পারে

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
ফিওক্রোমোসাইটোমা
উচ্চ রক্তচাপজনিত জটিল অবস্থার ঝুঁকি

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ

তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।