ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: বয়স্ক
ডোজ: মুখের মাধ্যমে - ১-২ মিলিগ্রাম
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক তিনবার
বয়স: বয়স্ক
ডোজ: ইনহেলার - ১-২ পাফ
ফ্রিকোয়েন্সি: প্রয়োজন অনুযায়ী

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: 12 বছরের বেশি
ডোজ: মুখের মাধ্যমে - ১-২ মিলিগ্রাম
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক তিনবার
বয়স: 6-11 বছর
ডোজ: মুখের মাধ্যমে - ৫ মিলি (১ মিলিগ্রাম)
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক তিনবার
সেবনবিধি

লেভোসালবুটামল মিটারড-ডোজ ইনহেলার বা নেবুলাইজারের মাধ্যমে ওরাল ইনহেলেশন হিসেবে প্রয়োগ করা হয়। ইনহেলারের ক্ষেত্রে, প্রথমবার ব্যবহারের আগে বা তিন দিনের বেশি অব্যবহৃত থাকলে ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে প্রাইম করে নিন; সাধারণত প্রতি চার থেকে ছয় ঘণ্টা অন্তর দুইবার পাফ নিতে হয়। নেবুলাইজেশন সল্যুশন একটি এয়ার কম্প্রেসারের সাথে যুক্ত স্ট্যান্ডার্ড জেট নেবুলাইজার ব্যবহার করে দিনে তিনবার প্রয়োগ করা উচিত, যার প্রতিটি সেশন পাঁচ থেকে পনের মিনিট স্থায়ী হয়। ওরাল সিরাপ এবং ট্যাবলেট সাধারণত খালি পেটে দিনে তিনবার সেবন করা হয়। কার্ডিওভাসকুলার ডিজঅর্ডার, কনভালসিভ ডিজঅর্ডার বা হাইপারথাইরয়েডিজম রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন। ডায়াবেটিস বা রেনাল ইমপেয়ারমেন্ট রোগীদের ক্ষেত্রে ডোজ সমন্বয় বা রক্তে গ্লুকোজ ও পটাশিয়ামের মাত্রা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করার প্রয়োজন হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের বয়সসীমা রয়েছে: ইনহেলার চার বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য এবং নেবুলাইজেশন ছয় বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য নির্ধারিত।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
No interactions listed
কোন প্রতিক্রিয়া উল্লেখ করা নেই

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
তীব্র হৃদরোগ
অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের ঝুঁকি
থাইরটক্সিকোসিস
লক্ষণগুলি আরও খারাপ করতে পারে

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Store below 25°C. Protect from light. Do not refrigerate.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।