ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: বড়ি/ক্যাপসুল - ১ বড়ি/ক্যাপসুল
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক একবার

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: ভিটামিন ই এর ঘাটতি
বয়স: নবজাতক
ডোজ: মৌখিক - ১০ mg/kg/day
বিশেষ দ্রষ্টব্য: মুখের মাধ্যমে (মৌখিক)
নির্দেশনা: স্কার্ভি প্রতিরোধ
বয়স: শিশু
ডোজ: মৌখিক - ৫০ mg
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক
বিশেষ দ্রষ্টব্য: মুখের মাধ্যমে (মৌখিক)
সেবনবিধি

এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সংমিশ্রণটি ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল হিসেবে মুখে সেবন করুন, সাধারণত দিনে একবার বা দুবার খাবারসহ বা খাবার ছাড়া; তবে খাবারের সাথে সেবন করলে বিটা-ক্যারোটিন এবং ভিটামিন ই-এর মতো চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলোর শোষণ বৃদ্ধি পেতে পারে। ট্যাবলেটগুলো চিবানো বা গুঁড়ো না করে আস্ত গিলে ফেলুন, বিশেষ করে যদি সেগুলো বর্ধিত-নিঃসরণ (extended-release) বা ফিল্ম-কোটেড হয়ে থাকে। রোগীদের অনুমোদিত ডায়েটারি অ্যালাউন্স (RDA) বা নির্দিষ্ট ক্লিনিকাল ডোজ অনুসরণ করা উচিত, কারণ ভিটামিন ই-এর অতিরিক্ত গ্রহণ (দিনে ১,০০০ মিলিগ্রামের বেশি) রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে, বিশেষ করে যারা ওয়ারফারিনের মতো অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট থেরাপি নিচ্ছেন। ধূমপায়ী বা অ্যাসবেস্টসের সংস্পর্শে থাকা ব্যক্তিদের ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধির কারণে বিটা-ক্যারোটিন পরিপূরক গ্রহণ এড়িয়ে চলা উচিত। সাধারণ পুষ্টির মাত্রায় কিডনি বা লিভারের সমস্যার জন্য সাধারণত কোনো বিশেষ ডোজ সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না, তবে বয়স্ক বা শিশুদের ক্ষেত্রে উচ্চ-মাত্রায় ব্যবহারের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
No interactions listed
-

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Should be stored in a dry place below 30˚C.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।