ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: ওরাল - 4 চা চামচ (20 ml) ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক চারবার |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: 1 থেকে 5 বছর |
ডোজ: সিরাপ - 1 চা চামচ (5 ml) ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক 4 বার |
|
বয়স: 6 থেকে 12 বছর |
ডোজ: সিরাপ - 2 চা চামচ (10 ml) ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক 4 বার |
সেবনবিধি
সাইট্রিক অ্যাসিড মনোহাইড্রেট মৌখিকভাবে বিশেষায়িত ফার্মাসিউটিক্যাল প্রিপারেশন যেমন ইফারভেসেন্ট ট্যাবলেট, পাউডার বা সলিউশন হিসেবে গ্রহণ করুন, যা প্রায়শই প্রস্রাব ক্ষারীয় করতে বা ওরাল রিহাইড্রেশন সল্টের উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সিস্টেমিক অ্যালকালাইজেশনের জন্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল জ্বালাপোড়া কমাতে এবং ওষুধের কার্যকারিতার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে রোগীদের খাবার পরে এবং ঘুমানোর আগে ওষুধটি নেওয়া উচিত। তরল কনসেন্ট্রেট বা পাউডার সেবনের আগে অন্তত ১২০-১৮০ মিলি পানি বা জুসে মিশিয়ে পাতলা করে নিন। বিপাকীয় ভারসাম্যহীনতার ঝুঁকির কারণে বিশেষ করে ক্রনিক কিডনি রোগে আক্রান্ত বা পটাশিয়াম-স্পেয়ারিং ডাইইউরেটিক গ্রহণকারী রোগীদের ক্ষেত্রে রেনাল ফাংশন এবং ইলেক্ট্রোলাইট লেভেল পর্যবেক্ষণ করুন। যদি প্রিপারেশনে সোডিয়াম লবণ থাকে তবে গুরুতর রেনাল বৈকল্য বা সোডিয়াম-নিষেধযুক্ত ডায়েটে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। গ্যাস্ট্রিক জ্বালাপোড়ার প্রবণতা থাকা বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- বমি বমি ভাব
- বমি
- মাথাব্যথা
- ডায়রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
No interactions listed
|
কোন পারস্পরিক প্রতিক্রিয়া নেই
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
|
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।