ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ক্যাপসুল - 1-2 টি ক্যাপসুল
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ওরাল লিকুইড - 1-2 চা চামচ
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: 11 বছর এবং তার বেশি
ডোজ: ইন্ট্রাভেনাস - 1 ভায়াল
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক একবার
সেবনবিধি

মাল্টিভিটামিন মূলত ট্যাবলেট, ক্যাপসুল বা তরল হিসেবে মুখে সেবন করা হয়, যা সাধারণত শোষণ বাড়াতে এবং পেটের অস্বস্তি কমাতে দিনে একবার খাবারের সাথে নেওয়া হয়। বিশেষ প্রয়োজন বা প্যারেন্টেরাল পুষ্টির ক্ষেত্রে কিছু ফর্মুলেশন শিরার মাধ্যমে (ইন্ট্রাভেনাস ইনফিউশন) দেওয়া হয়। প্যারেন্টেরাল মাল্টিভিটামিন অবশ্যই কমপক্ষে ৫০০ থেকে ১,০০০ মিলি সামঞ্জস্যপূর্ণ তরল (যেমন ডেক্সট্রোজ বা স্যালাইন) দিয়ে পাতলা করে নিতে হবে এবং মাথা ঘোরা বা টিস্যুর জ্বালাপোড়া এড়াতে সরাসরি ইনজেকশন হিসেবে দেওয়া উচিত নয়। এক্সটেন্ডেড-রিলিজ ট্যাবলেটগুলো না চিবিয়ে বা না গুঁড়ো করে আস্ত গিলে ফেলতে হবে। গুরুতর বৃক্কের সমস্যা বা নির্দিষ্ট ভিটামিনের ঘাটতি থাকলে মাত্রার সমন্বয় প্রয়োজন হতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদী প্যারেন্টেরাল ব্যবহারের ক্ষেত্রে রক্তে ভিটামিনের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা উচিত। শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষ যত্ন প্রয়োজন, কারণ ভিটামিনের বিষক্রিয়া এড়াতে তাদের জন্য বয়স-উপযোগী ফর্মুলেশন ব্যবহার করা জরুরি।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
No interactions listed
-

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Keep below 30°C temperature, away from light & moisture. Keep out of the reach of children.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।