ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: ওরাল - 2 চা চামচ (20g) ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক একবার বা দুইবার বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রচুর পানি দিয়ে গ্রহণ করুন |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: শিশু |
ডোজ: অনুমোদিত শিশু চিকিৎসাসংক্রান্ত মাত্রা পাওয়া যায়নি বিশেষ দ্রষ্টব্য: অনুমোদিত শিশু চিকিৎসাসংক্রান্ত মাত্রা পাওয়া যায়নি |
সেবনবিধি
সাধারণত দৈনিক একক ডোজ বা দুই ভাগে বিভক্ত করে মুখে সেবন করতে হয়। মলাশয়ে ল্যাকটিটলের অসমোটিক কার্যকারিতা সহজতর করতে এবং পানিশূন্যতা রোধ করতে এটি প্রচুর পরিমাণে পানি বা অন্যান্য তরল (অন্তত এক পূর্ণ গ্লাস) সহ গ্রহণ করা অপরিহার্য। কাঙ্ক্ষিত মলত্যাগের সামঞ্জস্য অর্জনের জন্য রোগীর ক্লিনিকাল প্রতিক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে ডোজ নির্ধারণ করা উচিত। এটি খাবার বা পানীয়র সাথে মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে। এর ল্যাক্সেটিভ প্রভাব দেখা দিতে ১ থেকে ২ দিন সময় লাগতে পারে। বয়স্ক রোগী বা যাদের কিডনি বা লিভারের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো ডোজ পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই, তবে তরল এবং ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যের নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন, বিশেষ করে বয়স্ক বা গুরুতর হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথিতে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে। চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান ছাড়া শিশুদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- পেট ফাঁপা
- পেট ফাপা এবং পেটে ব্যথা
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
No interactions listed
|
কোন প্রতিক্রিয়া উল্লেখ করা নেই
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
পাকস্থলী-অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা
|
অন্ত্র ছিদ্রের ঝুঁকি
|
|
গ্যালাক্টোসেমিয়া
|
মেটাবলিক অবস্থা আরও খারাপ করতে পারে
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।