ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: আন্ত্রিক নালীর স্ট্রংগিলয়েডিয়াসিস
ডোজ: মুখে - 3 mg
ফ্রিকোয়েন্সি: একবার
নির্দেশনা: আন্ত্রিক নালীর স্ট্রংগিলয়েডিয়াসিস
ডোজ: মুখে - 6 mg
ফ্রিকোয়েন্সি: একবার

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: রিভার ব্লাইন্ডনেস (অনকোসারকিয়াসিস)
ডোজ: ওরাল - নির্ধারিত নয়
বিশেষ দ্রষ্টব্য: সুরক্ষা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়
নির্দেশনা: রিভার ব্লাইন্ডনেস (অনকোসারকিয়াসিস)
ডোজ: ওরাল - 3 mg
ফ্রিকোয়েন্সি: মুখে
সময়কাল: 3-12 মাসের মধ্যে পুনরায় দেওয়া যেতে পারে
সেবনবিধি

আইভারমেকটিন ট্যাবলেট খালি পেটে এক গ্লাস পানি দিয়ে একক ডোজ হিসেবে মুখে সেবন করুন। এটি খাবার খাওয়ার অন্তত এক ঘণ্টা আগে বা দুই ঘণ্টা পরে সেবন করা উচিত যাতে ওষুধটি শরীরে সঠিকভাবে শোষিত হয়। অনকোসার্কিয়াসিস বা স্ট্রংগিলয়ডিয়াসিসের মতো রোগের ক্ষেত্রে ডোজ শরীরের ওজনের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয় এবং রোগের ধরন অনুযায়ী ৩ থেকে ১২ মাস অন্তর পুনরায় সেবনের প্রয়োজন হতে পারে। ১৫ কেজির কম ওজনের শিশুদের ক্ষেত্রে এই ওষুধের সুরক্ষা ও কার্যকারিতা এখনও প্রমাণিত নয়। গুরুতর লিভারের সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এটি সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত। পরজীবী সংক্রমণ পুরোপুরি দূর হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে রোগীদের চক্ষু সংক্রান্ত পরীক্ষা, শারীরিক প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ এবং মল পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
Alcohol, Levamisole
জৈব প্রাপ্যতা বাড়তে পারে

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Keep in a dry place, below 30°C. Protect from light. Keep out of the reach of children.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।