ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: ওরাল - 10 ml (2 চা চামচ) ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক দুইবার |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: শিশু |
ডোজ: সিরাপ - 1 চা চামচ (5 ml) ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক দুইবার |
সেবনবিধি
এই মাল্টিভিটামিন এবং মিনারেল মিশ্রণটি মুখে সেবন করুন, সাধারণত ট্যাবলেট বা সিরাপ হিসেবে, প্রতিদিন একবার বা দুবার খাবারের সাথে বা পরে যাতে পেটের অস্বস্তি কম হয় এবং দস্তার (zinc) শোষণ বৃদ্ধি পায়। তরল মিশ্রণের ক্ষেত্রে সঠিক ডোজ নিশ্চিত করতে একটি ক্যালিব্রেটেড পরিমাপক যন্ত্র ব্যবহার করুন। শিশু এবং বয়স্কদের ডোজ কঠোরভাবে পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা এবং ক্লিনিকাল অবস্থার উপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত। দস্তা জমে যাওয়ার সম্ভাবনার কারণে বৃক্কের সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের পর্যবেক্ষণ করা উচিত। যেকোনো বি-ভিটামিন উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতার বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করুন। কমপ্লেক্সের মধ্যে থাকা থায়ামিন খুব কমই অ্যানাফিল্যাক্সিস ঘটাতে পারে যদি তা ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া হয়, যদিও মুখে সেবন করা সাধারণত নিরাপদ। বিপাকীয় প্রক্রিয়াগুলোকে সহায়তা করতে এবং অভাব রোধ করতে প্রতিদিন নিয়মিত সেবন বজায় রাখুন।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- সাধারণত সুসহনীয়
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
Isoniazid, penicillamine, oral contraceptives
|
পাইরিডক্সিনের মাত্রা বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে
|
|
Levodopa, phenobarbital, altretamine, phenytoin
|
পাইরিডক্সিন প্রভাব কমায়
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
|
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।