ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ট্যাবলেট - 1-2 টি ট্যাবলেট
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক বা বিভক্ত মাত্রায়
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: অ্যাম্পুল - 1 অ্যাম্পুল (2 ml)
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক
বিশেষ দ্রষ্টব্য: সাবকিউটেনিয়াস, ইন্ট্রামাসকুলার বা ইন্ট্রাভেনাস পথে দেওয়া হয়

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: মাল্টি ভিটামিন ইনফিউশন
ডোজ: ইন্ট্রাভেনাস ইনফিউশন - 1.5 mL
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক
নির্দেশনা: মাল্টি ভিটামিন ইনফিউশন
ডোজ: ইন্ট্রাভেনাস ইনফিউশন - 3.25 mL
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক
সেবনবিধি

এই ভিটামিন বি-কমপ্লেক্সের মিশ্রণটি মুখে সেবনের ট্যাবলেট হিসেবে সাধারণত প্রতিদিন একবার অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করুন। শরীরে যথাযথ শোষণ এবং পাকস্থলীর অস্বস্তি কমানোর জন্য ট্যাবলেটটি পানির সাথে প্রধানত খাবার পর সেবন করা উচিত। ট্যাবলেটটি আস্ত গিলে ফেলুন; গিলতে সমস্যা হলে কিছু নির্দিষ্ট ফর্মুলেশন ভেঙে নেওয়া যেতে পারে তবে গুঁড়ো করা যাবে না। এটি প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১২ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের জন্য সাধারণত নিরাপদ হলেও, এর কম বয়সী শিশুদের ডোজ চিকিৎসকের মাধ্যমে নির্ধারিত হতে হবে। বৃক্ক বা যকৃতের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন কারণ ভিটামিনের বিপাক পরিবর্তিত হতে পারে। ত্বকে র‍্যাশ বা শ্বাসকষ্টের মতো অতিসংবেদনশীলতার লক্ষণ দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করুন এবং চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। পুষ্টির অভাব পূরণ বা প্রতিরোধের জন্য এটি নিয়মিত সেবন করা জরুরি।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
Isoniazid, Penicillamine, Oral contraceptives
পাইরিডক্সিনের প্রয়োজনীয় মাত্রা বাড়তে পারে
Levodopa, Phenobarbitone, Altretamine, Phenytoin
পাইরিডক্সিনের প্রভাব কমায়

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
এলার্জি
এলার্জি প্রতিক্রিয়া হতে পারে

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ

তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।