ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: অ্যালার্জিক রাইনাইটিস
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: মিটারড-ডোজ স্প্রে - 100 mcg/ডোজ
ফ্রিকোয়েন্সি: শুরুতে, প্রতিটি নাসারন্ধ্রে দৈনিক একবার 1 টি স্প্রে
বিশেষ দ্রষ্টব্য: সর্বোচ্চ প্রস্তাবিত ডোজ হলো প্রতিদিন 400 mcg যা প্রতিদিন একবার প্রতি নাসারন্ধ্রে চারটি স্প্রে হিসেবে প্রয়োগ করা হয়।
নির্দেশনা: নেসাল পলিপস
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: মিটারড-ডোজ স্প্রে - 100 mcg/ডোজ
ফ্রিকোয়েন্সি: প্রতিটি নাসারন্ধ্রে দৈনিক একবার 1 টি স্প্রে
সময়কাল: সর্বোচ্চ 3 মাস

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: অ্যালার্জিক রাইনাইটিস
বয়স: 6 বছরের বেশি
ডোজ: মিটারড-ডোজ স্প্রে - 100 mcg/ডোজ
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক একবার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: শুরুতে, প্রতি নাসারন্ধ্রে 1 টি স্প্রে
নির্দেশনা: নেসাল পলিপস
বয়স: 6 বছরের বেশি
ডোজ: মিটারড-ডোজ স্প্রে - 100 mcg/ডোজ
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক একবার
সময়কাল: সর্বোচ্চ 3 মাস
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রতি নাসারন্ধ্রে 1 টি স্প্রে
সেবনবিধি

নাক দিয়ে ব্যবহার করুন। প্রতিটি ব্যবহারের আগে ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিন। শুরুতে, প্রতিদিন একবার প্রতিটি নাসারন্ধ্রে ১ বার করে স্প্রে করুন। সর্বোচ্চ প্রস্তাবিত মাত্রা হলো প্রতিদিন ৪০০ মাইক্রোগ্রাম (প্রতিদিন একবার প্রতিটি নাসারন্ধ্রে ৪ বার করে স্প্রে)। ব্যবহারের আগে নাক পরিষ্কার করে নিন। ৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এর সুরক্ষা এবং কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়নি।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
CYP3A4 inhibitors
বিপাক বাধাগ্রস্ত করে বিউডেসোনাইডের সিস্টেমিক এক্সপোজার বাড়াতে পারে

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Keep below 30°C temperature, away from light & moisture. Keep out of the reach of children.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।