ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: ট্যাবলেট - 20 mg ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক একবার বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সাধারণ মাত্রা হলো দৈনিক একটি ট্যাবলেট (20 mg)। |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: 12 বছরের বেশি |
ডোজ: ট্যাবলেট - 20 mg ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক একবার |
|
বয়স: 6 থেকে 11 বছর |
ডোজ: ওরোডিসপারসিবল ট্যাবলেট - 10 mg ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক একবার |
কিডনি রোগীদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
অবস্থা: মাঝারি বা গুরুতর রেনাল ইম্পেয়ারমেন্ট |
ডোজ: ট্যাবলেট - 20 mg বিশেষ দ্রষ্টব্য: বিলাস্টিন এবং P-glycoprotein ইনহিবিটর (যেমন কেটোকোনাজল, ইরিথ্রোমাইসিন, সাইক্লোস্পোরিন, রিটোনাভির, বা ডিল্টিয়াজেম) একসাথে প্রয়োগ এড়ানো উচিত কারণ এটি বিলাস্টিনের প্লাজমা মাত্রা বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং তাই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। |
সেবনবিধি
প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী কিশোর-কিশোরীদের জন্য বিলাস্টিনের প্রস্তাবিত মাত্রা হলো প্রতিদিন একবার ২০ মিলিগ্রাম। ৬ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের জন্য প্রস্তাবিত মাত্রা হলো প্রতিদিন একবার ১০ মিলিগ্রাম। ভালো কার্যকারিতার জন্য এটি অবশ্যই খালি পেটে (খাবারের ১ ঘণ্টা আগে বা ২ ঘণ্টা পরে) সেবন করতে হবে। ওজন ২০ কেজির কম বা ৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- ঘুম ঘুম ভাব
- মাথাব্যথা
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
No interactions listed
|
-
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
|
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Keep below 30°C temperature, protected from light and moisture. Keep out of reach of children.
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।