ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: টপিক্যাল প্রিপারেশন - ত্বকে প্রয়োগ করুন ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক দুইবার সময়কাল: 1 ঘণ্টা রেখে দিন বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রিপারেশনটি ক্ষতের স্থানে প্রয়োগ করা হয় এবং ড্রেসিং দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয় |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: শিশু |
ডোজ: ট্যাবলেট - কোনো অনুমোদিত পেডিয়াট্রিক মাত্রা উপলব্ধ নেই বিশেষ দ্রষ্টব্য: কোনো অনুমোদিত পেডিয়াট্রিক মাত্রা উপলব্ধ নেই |
সেবনবিধি
টপিকাল ব্যবহারের জন্য, বোরিক অ্যাসিড, ডিথ্রানল এবং স্যালিসিলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ ক্রিম বা মলমটির একটি পাতলা স্তর প্রতিদিন একবার শুধুমাত্র আক্রান্ত সোরিয়াটিক প্লাকগুলিতে প্রয়োগ করুন। স্বল্প-সং্পর্শের (short-contact) নিয়ম অনুসরণ করে, ওষুধটি ১৫ থেকে ৪৫ মিনিট ত্বকে রেখে দিন এবং তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। গুরুতর জ্বালাপোড়া এবং দাগ পড়া রোধ করতে সুস্থ ত্বক, মুখমণ্ডল, যৌনাঙ্গ, ত্বকের ভাঁজ এবং শ্লেষ্মা ঝিল্লির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন। ব্যবহারের সময় সুরক্ষামূলক গ্লাভস ব্যবহার করুন এবং পার্শ্ববর্তী সুস্থ ত্বকে প্রতিবন্ধক হিসেবে পেট্রোলিয়াম জেলি প্রয়োগ করুন। সিস্টেমিক স্যালিসিলিক অ্যাসিড এবং বোরিক অ্যাসিড বিষক্রিয়ার ঝুঁকির কারণে ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এই সংমিশ্রণটি প্রতিনির্দেশিত (contraindicated)। অত্যধিক জ্বালাপোড়া বা ব্যথা হলে ব্যবহার বন্ধ করুন। সিস্টেমিক শোষণ কমাতে শরীরের বড় অংশ বা ক্ষতযুক্ত স্থানে এটি প্রয়োগ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- স্থানীয় জ্বালাপোড়া এবং অস্বস্তি
- ত্বক, চুল এবং কাপড়ে দাগ ফেলে
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
No interactions listed
|
-
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
তীব্র ও পুঁজযুক্ত সোরাইসিস
|
ত্বকের অবস্থা আরও খারাপ করতে পারে
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।