ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: গর্ভাবস্থায় আয়রন ঘাটতির প্রফিল্যাক্সিস
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
অবস্থা: গর্ভধারণের 13তম সপ্তাহ থেকে পরবর্তী গর্ভবতী মহিলাদের জন্য
ডোজ: ট্যাবলেট - ১টি ট্যাবলেট
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক একবার

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: আয়রন এবং ফলিক অ্যাসিড ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ ও চিকিৎসা
বয়স: 6 থেকে 12 বছরের কম বয়সী শিশু
ডোজ: মুখের মাধ্যমে - ৬৫ মিলিগ্রাম (মৌলিক আয়রন)
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে দুইবার
নির্দেশনা: আয়রন ঘাটতি প্রতিরোধ
বয়স: নবজাতক
ডোজ: মুখের মাধ্যমে - ৪.৫ মিলিগ্রাম (মৌলিক আয়রন)
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে একবার
সেবনবিধি

ফেরাস ফিউমারেট এবং ফলিক অ্যাসিড ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল হিসেবে মুখে সেবন করুন, যা শোষণের সুবিধার্থে খাবার গ্রহণের এক ঘণ্টা আগে বা দুই ঘণ্টা পরে নেওয়া উত্তম। পাকস্থলীর অস্বস্তি দেখা দিলে এটি খাবারের সাথে বা পরে সেবন করা যেতে পারে, যদিও এতে আয়রনের জৈব উপলভ্যতা (bioavailability) হ্রাস পেতে পারে। ট্যাবলেটগুলো এক গ্লাস পানি দিয়ে সম্পূর্ণ গিলে ফেলুন এবং সেবনের পর অন্তত ৩০ মিনিট শুয়ে পড়া থেকে বিরত থাকুন। সেবনের দুই ঘণ্টার মধ্যে অ্যান্টাসিড, দুগ্ধজাত খাবার, চা বা কফি গ্রহণ এড়িয়ে চলুন। বৃক্ক বা যকৃতের জন্য সাধারণত কোনো মাত্রা পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই, তবে প্রদাহজনক অন্ত্রের রোগ বা পেপটিক আলসার রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন। এই সংমিশ্রণটি সাধারণত ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য নির্দেশিত নয়।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
Antacids
পাকস্থলী থেকে ফেরাস ফিউমারেটের শোষণ কমাতে পারে
Quinolones, Tetracyclines
ফেরাস ফিউমারেটের শোষণ কমাতে পারে

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
হিমোক্রোমাটোসিস
অতিরিক্ত আয়রন জমার ঝুঁকি
হিমোসিডেরোসিস
শরীরে আয়রন জমার ঝুঁকি

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ

তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।