ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: ইন্টারস্টিশিয়াল সিস্টাইটিস
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ওরাল - ১০০ mg
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে তিনবার

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: শিশু
ডোজ: ডোজ ফর্ম - নির্ধারিত নয়
বিশেষ দ্রষ্টব্য: কোন অনুমোদিত শিশু বিশেষজ্ঞের ডোজ উপলব্ধ নেই
সেবনবিধি

ইন্টারস্টিশিয়াল সিস্টাইটিস বা মূত্রাশয়ের ব্যথার উপশমের জন্য পেন্টোসান পলিসালফেট সোডিয়াম দিনে তিনবার ১০০ মিগ্রা ক্যাপসুল হিসেবে মুখে সেবন করুন। ওষুধটি পূর্ণ এক গ্লাস পানি দিয়ে খালি পেটে খেতে হবে; বিশেষ করে খাবার খাওয়ার অন্তত ১ ঘণ্টা আগে বা ২ ঘণ্টা পরে, যাতে ওষুধটি শরীরে ভালোভাবে শোষিত হতে পারে। যকৃত বা বৃক্কের সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এটি সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে। যেহেতু এটি একটি মৃদু অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট (রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়), তাই বিশেষ করে যাদের অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা বা যারা অন্য কোনো রক্ত তরলকারী ওষুধ নিচ্ছেন, তাদের রক্তপাতের ঝুঁকি মূল্যায়ন করা উচিত। ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা এখনও প্রমাণিত হয়নি। চিকিৎসার কার্যকারিতা প্রতি ৩ থেকে ৬ মাস অন্তর পুনরায় যাচাই করা উচিত।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
Oral Anticoagulants (Warfarin, Heparin, Dabigatran, Rivaroxaban, Apixaban, Edoxaban), Drugs that affect platelet function
রক্তপাতের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়
Glyceryl trinitrate (IV route)
পেন্টোসানের কার্যকারিতা কমাতে পারে

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
রক্তক্ষরণ
রক্তক্ষরণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে পারে
গুরুতর কিডনি বা যকৃতের সমস্যা
বিষাক্ত মাত্রায় জমা হতে পারে

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Keep below 30°C temperature, away from light & moisture. Keep out of the reach of children.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।