ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: আক্রান্ত স্থানে প্রয়োগ করুন ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক 3-4 বার |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: 1 বছরের বেশি |
ডোজ: টপিকাল ব্যবহার - আক্রান্ত স্থানে প্রয়োগ করুন ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক 3-4 বার |
সেবনবিধি
আক্রান্ত স্থানে জেন্টামাইসিন ০.৩% টপিকাল ক্রিম বা অয়েন্টমেন্ট সামান্য পরিমাণে দিনে ৩ থেকে ৪ বার প্রয়োগ করুন। ব্যবহারের আগে আক্রান্ত স্থানটি সাবান ও পানি দিয়ে ধুয়ে ভালোমতো শুকিয়ে নিতে হবে। ইমপেটিগো কন্টাজিওসার চিকিৎসার ক্ষেত্রে, ওষুধটি পাতলা ও সমান স্তরে আলতোভাবে ঘষে লাগানোর আগে চামড়ার শক্ত আবরণ (ক্রাস্ট) সরিয়ে ফেলুন; প্রয়োজনে আক্রান্ত স্থানটি গজ ড্রেসিং দিয়ে ঢেকে রাখা যেতে পারে। এই ওষুধটি শুধুমাত্র বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য; চোখের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন। উপসর্গ দ্রুত সেরে গেলেও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পুরো সময় ধরে ব্যবহার চালিয়ে যেতে হবে। এক বছরের বেশি বয়সী শিশু এবং বয়স্কদের ক্ষেত্রে এটি সাধারণত সহনীয় হলেও, প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধি রোধ করতে দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার পরিহার করা উচিত। ত্বকে জ্বালাপোড়া, লালভাব বা নতুন সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করুন।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- অ্যালার্জিক কন্টাক্ট ডার্মাটাইটিস
- ইরিথেমা
- প্রুরিটাস
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
Ampicillin, benzylpenicillin, other Beta-lactam Antibiotics (Ampicillin, Benzylpenicillin, Piperacillin, Oxacillin)
|
একযোগে প্রভাব বাড়ে
|
|
Anaesthetics, opioids
|
শ্বাসকষ্টের গুরুতর ঝুঁকি বাড়ে
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইড অতিসংবেদনশীলতা
|
এলার্জি জনিত প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।