ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ওরাল ট্যাবলেট - 1 টি ট্যাবলেট
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে দুই বার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: খাবারের সাথে সেবনযোগ্য।

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: শিশু
ডোজ: ট্যাবলেট - একটি ট্যাবলেট (60 mg)
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে একবার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: ট্যাবলেটে 9.5 mg জিংক রয়েছে; গ্রহণের আগে পানিতে গুলে নেওয়া উচিত এবং চামচে দ্রবীভূত করা যেতে পারে; জিংক প্রস্তুতি ছয় মাস বয়স থেকে নিরাপদ; অরোটেট কোষে জিংক পরিবহনের জন্য ক্যারিয়ার হিসেবে কাজ করে এবং শিশুদের শরীরে এর কোনো বিষাক্ততা নেই
সেবনবিধি

জিঙ্ক ওরোটোট ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল হিসেবে মুখে সেবন করুন। এটি শোষণের সুবিধার্থে খাবার গ্রহণের এক ঘণ্টা আগে বা দুই ঘণ্টা পরে সেবন করা সবচেয়ে ভালো, তবে পেটে সমস্যা দেখা দিলে খাবারের সাথেও সেবন করা যেতে পারে। বড়দের ক্ষেত্রে সাধারণত প্রতিদিন ১ থেকে ৩টি ট্যাবলেট প্রয়োজন অনুযায়ী সেবন করতে হয়। ট্যাবলেটগুলো না ভেঙে বা না চিবিয়ে এক গ্লাস পানি দিয়ে গিলে ফেলতে হবে। উচ্চ-ফাইটেট যুক্ত খাবার, দুগ্ধজাত দ্রব্য এবং ক্যাফেইন এর কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে। টেট্রাসাইক্লিন বা কুইনোলন অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে সেবনের ক্ষেত্রে কমপক্ষে চার ঘণ্টার ব্যবধান বজায় রাখুন। দীর্ঘদিন উচ্চ মাত্রায় সেবনের ক্ষেত্রে কপার বা তামা’র অভাব হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করুন। শিশুদের ক্ষেত্রে বয়সভিত্তিক পুষ্টির চাহিদা অনুযায়ী ডোজ সমন্বয় করা প্রয়োজন। বৃক্কের সমস্যা থাকলে বা হেমোডায়ালাইসিস করা রোগীদের ক্ষেত্রে জিঙ্কের মাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হতে পারে।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
No interactions listed
কোন পারস্পরিক প্রতিক্রিয়া নেই

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
জিঙ্কের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা
অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Store in a cool and dry place, away from light & moisture. Keep out of the reach of children.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।