ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ওরাল ট্যাবলেট - ৫ mg
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে দুইবার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রাথমিক ডোজ; এরপর ১ সপ্তাহ বা তার বেশি ব্যবধানে ৫ mg করে ধীরে ধীরে ডোজ বাড়ানো যেতে পারে।
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ওরাল ট্যাবলেট - ১০ mg থেকে ১৫ mg
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে দুইবার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: রোগীর বয়স ও লক্ষণ অনুযায়ী ডোজ সমন্বয় করা হয়েছে।

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: পিডিয়াট্রিক
ডোজ: শিশুদের জন্য কোনো অনুমোদিত ডোজ উপলব্ধ নেই
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রস্তাবিত নয়
সেবনবিধি

মিরোগাবালিন মুখে সেবনযোগ্য ট্যাবলেট হিসেবে দেওয়া হয় এবং এটি খাবারের সাথে বা খাবার ছাড়া গ্রহণ করা যেতে পারে। ট্যাবলেটটি জল দিয়ে আস্ত গিলে ফেলা উচিত। এটি সাধারণত দিনে দুবার সেবন করা হয়। মাঝারি থেকে গুরুতর কিডনির সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে ডোজ সমন্বয় করা অত্যন্ত জরুরি, এবং শেষ পর্যায়ের কিডনি রোগে এটি সাধারণত সুপারিশ করা হয় না। যকৃতের সমস্যার জন্য ডোজ সমন্বয়ের সুনির্দিষ্ট প্রয়োজন নেই, তবে গুরুতর যকৃতের বিকলতায় সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। সতর্কতার মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের অবসাদ পর্যবেক্ষণ করা, যেমন- তন্দ্রাচ্ছন্নতা এবং মাথা ঘোরা, যা গাড়ি চালানো বা যন্ত্রপাতি চালানোর ক্ষমতাকে ব্যাহত করতে পারে। উইথড্রয়াল সিম্পটম বা প্রত্যাহারের লক্ষণগুলি কমাতে এটি অন্তত এক সপ্তাহের ব্যবধানে ধীরে ধীরে বন্ধ করা উচিত। শিশু রোগীদের ক্ষেত্রে এর সুরক্ষা এবং কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, অন্যদিকে বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে সাধারণত কিডনির কার্যকারিতা হ্রাসের কারণে ডোজ কমানোর প্রয়োজন হয়।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ

তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।