ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি
তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে
তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
নির্দেশনা: পেট ফুলে যাওয়ার অনুভূতি, দ্রুত পেট ভরে যাওয়া, খাওয়ার পরের ভরাপেট ভাব, পেটের ওপরের অংশে ব্যথা বা অস্বস্তি, বমি বমি ভাব এবং বমি, ক্ষুধামন্দা এবং বুকজ্বালাসহ গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল উপসর্গগুলোর ব্যবস্থাপনা বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থা: পাকস্থলী ও অন্ত্রের গতিশীলতা হ্রাসের সাথে সম্পর্কিত ব্যাধি |
ডোজ: মুখের মাধ্যমে - ৫০ mg ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক তিনবার বিশেষ দ্রষ্টব্য: রোগীর বয়স এবং উপসর্গের ওপর ভিত্তি করে মাত্রা কমানো যেতে পারে। |
|
নির্দেশনা: নন-আলসার ডিসপেপসিয়া বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থা: পাকস্থলী ও অন্ত্রের গতিশীলতা হ্রাসের সাথে সম্পর্কিত ব্যাধি |
ডোজ: মুখের মাধ্যমে - ৫০ mg ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক তিনবার বিশেষ দ্রষ্টব্য: রোগীর বয়স এবং উপসর্গের ওপর ভিত্তি করে মাত্রা কমানো যেতে পারে। |
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: শিশু |
ডোজ: কোনোটিই নয় বিশেষ দ্রষ্টব্য: কোনো অনুমোদিত মাত্রা উপলব্ধ নেই |
আইটোপ্রাইড হাইড্রোক্লোরাইড ফিল্ম-কোটেড ট্যাবলেট হিসেবে মুখে সেবন করা হয়, যা সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য দিনে তিনবার ৫০ মিলিগ্রাম করে নির্ধারিত। হজমের সময় পাকস্থলীর গতিশীলতা বাড়াতে ট্যাবলেটগুলো খাবারের প্রায় ১৫ থেকে ৩০ মিনিট আগে পর্যাপ্ত পরিমাণ তরল দিয়ে চিবানো বা চূর্ণ না করে গিলে ফেলা উচিত। চিকিৎসার মেয়াদ সাধারণত আট সপ্তাহের বেশি হওয়া উচিত নয়। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা তথ্যের অভাবে ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এর ব্যবহার সুপারিশ করা হয় না। বয়স্ক এবং যকৃত বা বৃক্কের সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন, প্রয়োজনে ওষুধের মাত্রা কমানো বা ব্যবহার বন্ধ করতে হতে পারে। গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রক্তপাত, যান্ত্রিক বাধা বা ছিদ্রযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এই ওষুধটি ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।
তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে
তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে
তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।