ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: পেললেট - ১টি পেললেট বিশেষ দ্রষ্টব্য: ব্যক্তিগত স্বাদ অনুযায়ী। ১টি পেললেট ১ চা চামচ চিনি বা ২ ক্যালোরির সমপরিমাণ মিষ্টি। |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: শিশু |
ডোজ: প্রযোজ্য নয় - শিশুদের জন্য কোনো অনুমোদিত ডোজ উপলব্ধ নেই বিশেষ দ্রষ্টব্য: শিশুদের জন্য কোনো অনুমোদিত ডোজ উপলব্ধ নেই |
সেবনবিধি
অ্যাস্পার্টাম বিভিন্ন ধরনের ডোজে যেমন ট্যাবলেট হিসেবে, ট্যাবলেটের প্যাকেটে অথবা প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও পানীয়র উপাদান হিসেবে মুখে সেবন করা হয়। এটি সাধারণত চিনির বিকল্প হিসেবে খাবারের সাথে বা খাবার ছাড়া গ্রহণ করা হয়। অ্যাস্পার্টাম তাপ-সহনশীল নয়, তাই এটি রান্না বা বেকিংয়ে ব্যবহার করা উচিত নয় কারণ উচ্চ তাপমাত্রায় এটি তার মিষ্টিভাব হারিয়ে ফেলে। এর দৈনিক গ্রহণযোগ্য মাত্রা শরীরের প্রতি কেজি ওজনের জন্য ৪০ থেকে ৫০ মিলিগ্রাম। ফিনাইলঅ্যালানিনের উপস্থিতির কারণে ফিনাইলকিটোনিউরিয়া রোগীদের জন্য এর ব্যবহার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। বৃদ্ধ বা শিশুদের ক্ষেত্রে কোনো বিশেষ ডোজ সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই, যদি না তাদের ফিনাইলকিটোনিউরিয়া থাকে।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- কোষ্ঠকাঠিন্য
- ফিকাল ইমপ্যাকশন
- হেমোরয়েডস
- পেটে অস্বস্তি বা ব্যথা
- বুকজ্বালা
- পেট ফাঁপা
- বমি বমি ভাব
- বমি
- ডায়রিয়া
- রক্তপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি (দীর্ঘস্থায়ী ব্যবহার)
- অস্টিওপোরোসিস
- স্টিয়াটোরিয়া (উচ্চ মাত্রায়)
- ত্বকের ফুসকুড়ি
- জিহ্বায় চুলকানি
- ত্বক এবং পেরিয়ানাল অঞ্চল
- হাইপারক্লোরেমিক অ্যাসিডোসিস
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
No interactions listed
|
-
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
সম্পূর্ণ পিত্তনালী অবরোধ
|
জটিলতার ঝুঁকি
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।