নির্দেশনা
তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে
তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
নির্দেশনা: ব্রণ বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: টপিকাল/কিউটেনিয়াস - আক্রান্ত স্থানে প্রয়োগ করুন ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক 1-2 বার বিশেষ দ্রষ্টব্য: অবস্থার অবনতি হলে বা একটানা ৬-৮ সপ্তাহ ব্যবহারের পরেও কোনো উন্নতি না হলে চিকিৎসা বন্ধ করুন। সর্বোচ্চ সময়কাল: ৬ মাস। |
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: শিশু |
ডোজ: রূপ - নিরাপত্তা এবং কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয় |
ইরিথ্রোমাইসিন টপিকাল সলিউশন শুধুমাত্র বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য এবং আক্রান্ত স্থানে দিনে দুবার (সাধারণত সকালে এবং সন্ধ্যায়) প্রয়োগ করতে হবে। প্রয়োগের আগে ত্বক মৃদু সাবান ও কুসুম গরম পানি দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে শুকিয়ে নিতে হবে। সাধারণত একটি অ্যাপ্লিকেটর টিপ বা আঙুলের ডগা ব্যবহার করে আলতোভাবে সলিউশনটি লাগাতে হয় এবং এরপর হাত ধুয়ে ফেলতে হয়; চোখ, নাক, মুখ এবং শ্লেষ্মা ঝিল্লির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন। এই সলিউশনে অ্যালকোহল থাকায় জ্বালাপোড়া কমাতে ধোয়া বা শেভ করার অন্তত ৩০ মিনিট পর এটি ব্যবহার করা উচিত এবং দাহ্য হওয়ার কারণে তাপ, খোলা শিখা বা ধূমপান থেকে দূরে থাকতে হবে। যদি অন্য কোনো টপিকাল ব্রণের ওষুধ ব্যবহার করা হয়, তবে অতিরিক্ত জ্বালাপোড়া এড়াতে সেগুলো অন্তত এক ঘণ্টা ব্যবধানে প্রয়োগ করতে হবে। ১২ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে ডোজ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে; এটি সাধারণত প্রাপ্তবয়স্ক এবং বড় শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন কারণ ইরিথ্রোমাইসিন মাতৃদুগ্ধে নিঃসৃত হয়।
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
Colchicine
|
বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে
|
|
HMG-CoA reductase inhibitors (e.g. simvastatin)
|
কিডনির সমস্যা সহ বা ছাড়া পেশী ক্ষয় হতে পারে
|
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
পরফিরিয়া
|
তীব্র আক্রমণ শুরু করতে পারে
|
|
যকৃতের অকার্যকারিতা
|
যকৃতের অবস্থা আরো খারাপ করতে পারে
|
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।