ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
নির্দেশনা: পেশী সংকোচন বা খিঁচুনি বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: মুখে - ৫০ mg ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক তিনবার |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: শিশু |
ডোজ: অনুমোদিত কোনো শিশুতোষ মাত্রা উপলব্ধ নেই বিশেষ দ্রষ্টব্য: অনুমোদিত কোনো শিশুতোষ মাত্রা উপলব্ধ নেই |
সেবনবিধি
এপেরিসোন হাইড্রোক্লোরাইড মুখে সেবন করতে হয়, সাধারণত ৫০ মিলিগ্রামের একটি ট্যাবলেট দিনে তিনবার। গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সহনশীলতা উন্নত করতে এবং শোষণ বৃদ্ধি করতে ট্যাবলেটগুলো অবশ্যই খাবারের পরে গ্রহণ করা উচিত। কার্যকারিতা বজায় রাখার জন্য রোগীদের ট্যাবলেটগুলো না ভেঙে বা না চিবিয়ে পানি দিয়ে সম্পূর্ণ গিলে ফেলতে হবে। শারীরবৃত্তীয় অবনতির সম্ভাবনার কারণে বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে ডোজ পরিবর্তনের কথা বিবেচনা করা উচিত, তবে শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় এটি সাধারণত সুপারিশ করা হয় না। লিভারের সমস্যা আছে এমন রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন এবং নিয়মিত লিভারের কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করুন। অতিরিক্ত তন্দ্রাচ্ছন্নতা এবং মোটর ফাংশন ব্যাহত হওয়া রোধ করতে অ্যালকোহল বা অন্যান্য কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের বিষণ্ণকারক ওষুধের সাথে এর ব্যবহার এড়ানো উচিত।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- দুর্বলতা
- মাথা ঘোরা
- অনিদ্রা
- তন্দ্রাচ্ছন্নতা
- হাত-পায়ে অসাড়তা বা কাঁপুনি
- যকৃত এবং বৃক্কের কর্মহীনতা
- রক্তকণিকায় পরিবর্তন
- ত্বকে ফুসকুড়ি
- চুলকানি
- পরিপাকতন্ত্রের ব্যাঘাত
- মূত্রনালীর ব্যাধি
- খুব কম ক্ষেত্রে
- শক
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
Tolperisone HCl, Methocarbamol
|
একসাথে ব্যবহার এড়িয়ে চলুন
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
|
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।