ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ক্যাপসুল - 1 টি ক্যাপসুল
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক একবার
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
অবস্থা: আরও গুরুতর ক্ষেত্রে
ডোজ: ক্যাপসুল - 2 টি ক্যাপসুল
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক একবার

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: শিশু
ডোজ: কোনো অনুমোদিত পেডিয়াট্রিক ডোজ পাওয়া যায়নি
বিশেষ দ্রষ্টব্য: কোনো অনুমোদিত পেডিয়াট্রিক ডোজ পাওয়া যায়নি
সেবনবিধি

এই কম্বিনেশন প্রিপারেশনটি মুখে সেবন করতে হয়, সাধারণত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিদিন একবার বা বিভক্ত মাত্রায়। সহনশীলতা বাড়াতে এবং বমি বমি ভাব বা বদহজমের মতো গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমাতে, ক্যাপসুলগুলো খাবার চলাকালীন বা ঠিক পরেই গ্রহণ করা উচিত। ফর্মুলেশনের অখণ্ডতা বজায় রাখতে ক্যাপসুলগুলো জল দিয়ে আস্ত গিলে ফেলতে হবে এবং গুঁড়ো করা বা চিবানো উচিত নয়। শিশুদের ক্ষেত্রে, শরীরের ওজন এবং ঘাটতির তীব্রতার উপর ভিত্তি করে ডোজ সাবধানে সমন্বয় করতে হবে, যা সাধারণত প্রতিদিন প্রতি কেজি ওজনে ৩ থেকে ৬ মিগ্রা এলিমেন্টাল আয়রন হয়ে থাকে। হেমোক্রোমাটোসিস বা হেমোলাইটিক অ্যানিমিয়ার মতো আয়রন ওভারলোডজনিত রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন। যদিও আয়রন পলিম্যালটোজ কমপ্লেক্সের ফেরাস সল্টের তুলনায় কম মিথস্ক্রিয়া রয়েছে, তবুও যদি ব্যাঘাতের আশঙ্কা থাকে তবে টেট্রাসাইক্লিন বা কুইনোলোনস সেবনের অন্তত দুই ঘণ্টা আগে বা পরে এটি সেবন করুন।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
Antacids
শোষণ কমে যায়
Penicillamine
প্রভাব কমাতে পারে

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Do not store above 30°C. Keep away from light and out of the reach of children.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।