ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: ওরাল লিকুইড - ১০ ml ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক 3-4 বার বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রয়োজনুযায়ী |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: 3 মাস থেকে 1 বছরের কম |
ডোজ: ওরাল লিকুইড - ২.৫-৫ ml ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক 3-4 বার বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রয়োজনুযায়ী |
|
বয়স: 1-5 বছর |
ডোজ: ওরাল লিকুইড - ৫ ml ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক 3-4 বার বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রয়োজনুযায়ী |
সেবনবিধি
গলার মিউকোসা প্রশমিত করতে সিরাপটি মুখে সেবন করুন। গলার সংস্পর্শে আসার সময় বৃদ্ধির জন্য এটি ধীরে ধীরে গিলতে হবে; ব্যবহারের আগে সিরাপটি পাতলা করবেন না, কারণ এতে এর উপশমকারী গুণাবলী কমে যেতে পারে। শুকনো কাশি এবং গলা ব্যথার উপসর্গের উপশমের জন্য এটি দিনে ৩ থেকে ৪ বার প্রয়োজন অনুযায়ী গ্রহণ করা যেতে পারে। খাবারের সাথে গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো সময়ের বাধ্যবাধকতা নেই। বৃক্ক বা যকৃতের সমস্যার ক্ষেত্রে ডোজ সমন্বয়ের কোনো বিশেষ বিবেচনার প্রয়োজন নেই। শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের সময় নির্ধারিত বয়স-ভিত্তিক নির্দেশিকা কঠোরভাবে অনুসরণ করুন এবং সঠিক ডোজ নিশ্চিত করতে একটি ক্যালিব্রেটেড পরিমাপক যন্ত্র ব্যবহার করুন।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- বমি বমি ভাব
- বমি
- মাথাব্যথা
- মাথা ঘোরা
- ডায়রিয়া
- পেট ফাঁপা
- পেটে খিঁচুনি
- গ্যাস
- অত্যধিক তৃষ্ণা
- মলদ্বারে জ্বালাপোড়া
- জ্বালাপোড়া অনুভূতি
- ত্বকের জ্বালাপোড়া
- র্যাশ
- আমবাত
- ফোলা
- হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তে শর্করা কমে যাওয়া)
- চেতনা হারানো
- শক
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
No interactions listed
|
কোন প্রতিক্রিয়া নথিভুক্ত নেই
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
|
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।