ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: জেল - নেপ্রোক্সেন জেল
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে 2-6 বার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করুন।

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: শিশু
ডোজ: কোনো অনুমোদিত শিশু ডোজ উপলব্ধ নেই
বিশেষ দ্রষ্টব্য: সুপারিশকৃত নয়
সেবনবিধি

ন্যাপ্রোক্সেন ১০% টপিকাল ক্রিম সরাসরি আক্রান্ত ব্যথাপূর্ণ স্থানের ত্বকে প্রয়োগ করা হয়, যা সাধারণত স্থানীয় পেশীবহুল সমস্যা বা অস্টিওআর্থারাইটিসের জন্য ব্যবহৃত হয়। রোগীদের উচিত পরিষ্কার, শুষ্ক এবং অক্ষত ত্বকে অল্প পরিমাণে ক্রিম লাগিয়ে পুরোপুরি শোষিত না হওয়া পর্যন্ত আলতোভাবে ম্যাসাজ করা, যা সাধারণত চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী পুনরাবৃত্তি করা হয়। প্রয়োগের পর হাত ভালোভাবে ধুয়ে ফেলা জরুরি, যদি না হাত নিজেই চিকিৎসার আওতাভুক্ত এলাকা হয়। চোখ, মিউকাস মেমব্রেন বা খোলা ক্ষতের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন এবং অন্যান্য টপিকাল এনএসএআইডি (NSAIDs) এর সাথে এটি ব্যবহার করবেন না। যদিও পদ্ধতিগত শোষণ কম, তবুও গুরুতর কিডনি সমস্যা বা গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রক্তপাতের ইতিহাস রয়েছে এমন রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন। এটি শুরু করার আগে রোগীর সম্পূর্ণ চিকিৎসার ইতিহাস জেনে নেওয়া বাঞ্ছনীয়, বিশেষ করে বয়স্ক রোগী বা এনএসএআইডি-তে অতিসংবেদনশীলতা আছে এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
Methotrexate
বিষক্রিয়া বৃদ্ধি পেতে পারে
ACE Inhibitors (Captopril, Enalapril, Lisinopril, Ramipril, Benazepril, Fosinopril, Quinapril, Perindopril), Angiotensin II receptor antagonists
রক্তচাপ কমানোর প্রভাব হ্রাস পায়

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
কাবগ সার্জারির সময়কালীন ব্যথা
সার্জারির সময় ও পরে রক্তপাত এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ

তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।