ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: টপিকাল - আক্রান্ত স্থানে প্রয়োগ করুন ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক 1 থেকে 3 বার |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: 2 বছর বা তার বেশি বয়স |
ডোজ: টপিকাল - আক্রান্ত স্থানে প্রয়োগ করুন ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক 1 থেকে 3 বার |
সেবনবিধি
এই ওষুধের সামান্য পরিমাণ (একটি আঙুলের ডগার সমান) আক্রান্ত স্থানে দিনে এক থেকে তিনবার সর্বোচ্চ এক সপ্তাহ পর্যন্ত প্রয়োগ করুন। প্রয়োগের আগে আক্রান্ত স্থানটি মৃদু সাবান ও পানি দিয়ে পরিষ্কার করে ভালোভাবে শুকিয়ে নিন; প্রয়োজনে আক্রান্ত স্থানটি জীবাণুমুক্ত গজ ব্যান্ডেজ দিয়ে ঢেকে রাখা যেতে পারে। এই ওষুধটি শুধুমাত্র বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য এবং চোখ, নাক, মুখ বা শরীরের বড় অংশে প্রয়োগ করা যাবে না। গভীর ক্ষত, পশুর কামড় বা মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। শরীরে শোষণের মাত্রা সাধারণত কম হলেও, বৃক্কের সমস্যা রয়েছে এমন রোগীদের ক্ষেত্রে বা শরীরের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যবহারের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন। দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য প্রত্যক্ষ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান প্রয়োজন। ফুসকুড়ি, জ্বালাপোড়া বা অতিসংবেদনশীল প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করুন।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- ত্বকের সংবেদনশীলতা
- ক্রিম ব্যবহারে জ্বালাপোড়া
- চুলকানি
- ইরিটেশন
- হাইপোপিগমেন্টেশন
- স্কিন অ্যাট্রোফি (ত্বক পাতলা হয়ে যাওয়া)
- স্ট্রিয়া (ত্বকে ফাটা দাগ)
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
No interactions listed
|
কোন ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন তালিকাভুক্ত নেই
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
পূর্বের স্নায়বিক বধিরতা
|
শ্রবণশক্তির আরও ক্ষতি করতে পারে
|
|
যক্ষ্মা
|
যক্ষ্মা চিকিৎসায় বাধা সৃষ্টি করতে পারে
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।