ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: ওটাইটিস এক্সটার্না
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: কানের ড্রপ - ২-৩ ফোঁটা
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক দুই থেকে তিনবার

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: ওটাইটিস এক্সটার্না
ডোজ: ড্রপ - ২-৩ ফোঁটা
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক দুইবার বা তিনবার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: কানে ব্যবহারের জন্য
সেবনবিধি

টপিক্যাল অটিক প্রয়োগের ক্ষেত্রে, আক্রান্ত কানের ছিদ্রপথে ২ থেকে ৩ ফোঁটা ওষুধ দিনে দুই থেকে তিনবার সর্বোচ্চ এক সপ্তাহ পর্যন্ত ব্যবহার করুন। প্রয়োগের পর ওষুধের যথাযথ কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে রোগীকে আক্রান্ত কানটি উপরের দিকে রেখে অন্তত ১০ মিনিট শুয়ে থাকতে হবে। দূষণ প্রতিরোধে ড্রপারের ডগা কান বা অন্য কোনো পৃষ্ঠে স্পর্শ করবেন না। কানের পর্দায় ছিদ্র থাকলে বা ক্লোরামফেনিকল বা লিডোকেইনের প্রতি অতিসংবেদনশীলতার ইতিহাস থাকলে এটি ব্যবহার করা যাবে না। শিশুদের ক্ষেত্রে এটি কেবল তখনই ব্যবহার করা উচিত যখন চিকিৎসক অপরিহার্য মনে করেন এবং সংবেদনশীলতা বা প্রতিরোধী জীবাণুর উদ্ভব রোধ করতে সাত দিনের বেশি ব্যবহার এড়িয়ে চলতে হবে। কন্টেইনারটি শক্তভাবে আটকে রাখুন এবং নির্দেশ অনুযায়ী সাধারণত ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বা কক্ষ তাপমাত্রায় (নির্দিষ্ট ফর্মুলেশন অনুযায়ী) সংরক্ষণ করুন এবং আলো থেকে দূরে রাখুন।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
Iron, Vitamin B12
রক্তশূন্যতায় আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে কার্যকারিতা কমে যায়
Phenobarbital, Rifampin
ক্লোরামফেনিকলের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
কানের পর্দা ছিদ্র
অভ্যন্তরীণ কানের ক্ষতির ঝুঁকি
হারপিস সিমপ্লেক্স
ভাইরাল সংক্রমণ আরও বাড়াতে পারে

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ

তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।