ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
-
ডোজ: ট্যাবলেট - ১টি ট্যাবলেট

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: শিশু
ডোজ: শিশুদের জন্য কোনো অনুমোদিত ডোজ উপলব্ধ নেই
বিশেষ দ্রষ্টব্য: শিশুদের জন্য কোনো অনুমোদিত ডোজ উপলব্ধ নেই
সেবনবিধি

স্যাকারিন সোডিয়াম মুখে সেবনযোগ্য একটি নন-নিউট্রিশনাল মিষ্টি বা ফার্মাসিউটিক্যাল এক্সিপিয়েন্ট যা ট্যাবলেট, তরল এবং পাউডার সহ বিভিন্ন আকারে ব্যবহৃত হয়। রান্নার চিনি বা সাধারণ চিনির বিকল্প হিসেবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে এর মাত্রা সাধারণত প্রতি চা চামচ চিনির সমপরিমাণ মিষ্টির জন্য ২০ মিলিগ্রামের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও পানীয়ের ক্ষেত্রে এটি নির্দিষ্ট ডায়েট অনুযায়ী গ্রহণ করা উচিত, যেখানে পানীয়তে প্রতি ফ্লুইড আউন্সে সর্বোচ্চ ১২ মিলিগ্রাম এবং কঠিন খাবারে প্রতি সার্ভিংয়ে ৩০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত ব্যবহারের সীমা রয়েছে। ওষুধ হিসেবে এটি প্রায়ই চিবিয়ে খাওয়ার যোগ্য ভিটামিন ও মিনারেলের স্বাদ বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়। এটি গ্রহণের জন্য খাবারের সাথে কোনো নির্দিষ্ট সময়ের বাধ্যবাধকতা নেই। সাধারণত নিরাপদ হিসেবে বিবেচিত হলেও, অ্যাসপার্টেমের সাথে এটি ব্যবহার করা হলে চিকিৎসকদের ফিনাইলকিটোনুরিয়া রোগীদের পর্যবেক্ষণ করা উচিত, যদিও স্যাকারিনে ফিনাইল্যালানিন থাকে না। ওষুধ তৈরিতে ব্যবহারের ক্ষেত্রে বৃক্ক বা যকৃতের সমস্যার জন্য সাধারণত কোনো বিশেষ ডোজ সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
No interactions listed
-

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Keep below 30°C temperature, away from light & moisture. Keep out of the reach of children.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।