ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: ত্বকের প্রদাহজনিত অবস্থা
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ক্রিম/অয়েন্টমেন্ট - আক্রান্ত স্থানে অল্প পরিমাণে লাগান
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক 2-3 বার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: টপিক্যাল বা ত্বকে ব্যবহার্য।

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: ত্বকের প্রদাহজনিত অবস্থা
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ক্রিম/অয়েন্টমেন্ট - আক্রান্ত স্থানে অল্প পরিমাণে লাগান
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক 2-3 বার
সেবনবিধি

আক্রান্ত স্থানে ট্রায়ামসিনোলোন অ্যাসিটোনাইড ০.১% এর একটি পাতলা স্তর দিনে দুই থেকে তিনবার প্রয়োগ করুন এবং আলতো করে ঘষুন। ভালো ফলাফলের জন্য ব্যবহারের আগে ত্বক পরিষ্কার ও শুকিয়ে নিন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যান্ডেজ বা প্লাস্টার দিয়ে ঢেকে রাখবেন না, কারণ এটি শরীরে ওষুধের শোষণ বাড়িয়ে দিতে পারে এবং এইচপিএ (HPA) এক্সিস দমনের ঝুঁকি তৈরি করে। চোখ, নাক, মুখ এবং শ্লেষ্মা ঝিল্লির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন। শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহারের সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করুন কারণ তাদের ক্ষেত্রে শারীরিক বিষক্রিয়া এবং বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। হাত ছাড়া শরীরের অন্য স্থানে ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রয়োগের আগে ও পরে হাত ধুয়ে নিন। সংক্রমিত, ক্ষত বা পাতলা চামড়ায় এটি প্রয়োগ করবেন না। এটি সর্বনিম্ন প্রয়োজনীয় পরিমাণে এবং স্বল্পতম সময়ের জন্য ব্যবহার করা উচিত।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
Salicylates
রক্তে ঔষধের মাত্রা কমে যায়
NSAIDs (Ibuprofen, Naproxen, Diclofenac, Celecoxib, Meloxicam, Indomethacin, Piroxicam, Ketorolac)
গ্যাস্ট্রিক রক্তপাত এবং আলসারের ঝুঁকি বৃদ্ধি

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
অচিকিৎসিত ছত্রাক সংক্রমণ
সংক্রমণ আরও বাড়াতে পারে
ব্যাকটেরিয়া/ভাইরাস/পরজীবী সংক্রমণ
সংক্রমণ আরও বাড়াতে পারে

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Store in a cool & dry place. Protect from light.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।