ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: শুষ্ক চোখ
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: অপথালমিক ড্রপস - ১-২ ফোঁটা
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে তিন বা চারবার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: আক্রান্ত চোখে ফোঁটা দিন।

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: শুষ্ক চোখের অবস্থা
বয়স: শিশু
ডোজ: অপথালমিক - ১ বা ২ ফোঁটা
ফ্রিকোয়েন্সি: প্রয়োজন অনুযায়ী দিনে তিনবার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: টপিক্যালি চোখে ফোঁটা হিসেবে দেওয়া হয়
সেবনবিধি

হাইপ্রোমেলোজ ০.৫% আই প্রিপারেশন শুষ্ক চোখের অবস্থার উপশমের জন্য চোখের উপরিভাগে টপিক্যালি প্রয়োগ করা হয়। ব্যবহারের আগে রোগীদের হাত ধোয়া উচিত এবং জীবাণুমুক্ততা বজায় রাখতে ড্রপার টিপ যেন চোখ বা অন্য কোনো পৃষ্ঠ স্পর্শ না করে তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রাপ্তবয়স্ক, শিশু এবং বয়স্কদের জন্য আদর্শ ডোজ হলো আক্রান্ত চোখে প্রতিদিন তিনবার বা প্রয়োজন অনুযায়ী এক থেকে দুই ফোঁটা। প্রয়োগের পরে, সিস্টেমিক শোষণ কমাতে চোখের ভেতরের কোণে এক মিনিটের জন্য আলতো চাপ দেওয়া উচিত। যদি একাধিক চোখের ওষুধ ব্যবহার করা হয়, তবে প্রয়োগের মধ্যে কমপক্ষে পাঁচ থেকে পনের মিনিটের ব্যবধান বজায় রাখতে হবে। কন্টাক্ট লেন্স, বিশেষ করে সফট লেন্স, ব্যবহারের আগে অবশ্যই খুলে ফেলতে হবে এবং প্রিজারভেটিভ শোষণের সম্ভাবনার কারণে কমপক্ষে পনের মিনিটের আগে পুনরায় পরা উচিত নয়। প্রয়োগের পরে যদি ক্ষণস্থায়ী ঝাপসা দৃষ্টি দেখা দেয়, তবে রোগীদের গাড়ি চালানো বা যন্ত্রপাতি চালানোর ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
No interactions listed
কোন প্রতিক্রিয়া নথিভুক্ত নেই

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ

তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।