ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: সাইকোসিস
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: মুখে খাওয়ার - ২-৫ মিলিগ্রাম
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে দুইবার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রতিদিন ১৫-২০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত; গুরুতর বা প্রতিরোধী: প্রতিদিন ৪০ মিলিগ্রাম
নির্দেশনা: বমি বমি ভাব এবং বমি
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: মুখে খাওয়ার - ১-২ মিলিগ্রাম
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে দুইবার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: সর্বোচ্চ: প্রতিদিন ৬ মিলিগ্রাম

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: পেডিয়াট্রিক
ডোজ: কোনো অনুমোদিত ডোজ নেই - উপলব্ধ নয়
বিশেষ দ্রষ্টব্য: শিশুদের জন্য কোনো অনুমোদিত ডোজ উপলব্ধ নেই
সেবনবিধি

সাধারণত দিনে দুবার (প্রতি ১২ ঘণ্টা অন্তর) মুখে সেবনযোগ্য। এটি খাবারের সাথে বা খাবার ছাড়াও গ্রহণ করা যেতে পারে। যদি পাকস্থলীতে অস্বস্তি বোধ হয়, তবে খাবার বা নাস্তার সাথে এটি গ্রহণ করা সাহায্য করতে পারে। এতে বিদ্যমান অ্যান্টি-কোলিনার্জিক উপাদান (আইসোপ্রোপামাইড) এবং অ্যান্টি-সাইকোটিক উপাদানের (ট্রাইফ্লুওপ্যরাজিন) কারণে রোগীদের অ্যালকোহল এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের অবসাদকারক দ্রব্য পরিহার করার পরামর্শ দিতে হবে। রোগীদের সম্ভাব্য মাথা ঘোরা বা তন্দ্রাচ্ছন্নতা সম্পর্কে সতর্ক করুন এবং অর্থোস্ট্যাটিক হাইপোটেনশন (হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে রক্তচাপ কমে যাওয়া) কমাতে তাদের বসা বা শোয়া অবস্থা থেকে ধীরে ধীরে ওঠার পরামর্শ দিন।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
Opiates, Analgesics, Barbiturates, Sedatives, General anaesthetics, Alcohol
কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের অবসাদ বৃদ্ধি করে
TCAs, Antiparkinsonian drugs
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
বিদ্যমান সিএনএস ডিপ্রেশন
মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা আরও কমাতে পারে
কোমা
অচেতন অবস্থা আরও গভীর করতে পারে

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Keep below 30°C temperature, away from light & moisture. Keep out of the reach of children.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।