ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: এটপিক ডার্মাটাইটিস
অবস্থা: কর্টিকোস্টেরয়েড-সংবেদনশীল ডার্মাটোসেস
ডোজ: টপিক্যাল মলম - পাতলা আস্তরণ প্রয়োগ করুন
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে একবার বা দুইবার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: আলতোভাবে ঘষে লাগান। ২ সপ্তাহের মধ্যে কোনো উন্নতি না হলে রোগনির্ণয় পুনরায় মূল্যায়ন করুন

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: এটপিক ডার্মাটাইটিস
বয়স: 1 বছরের বেশি বয়সী শিশু
অবস্থা: কর্টিকোস্টেরয়েড-সংবেদনশীল ডার্মাটোসেস
ডোজ: টপিক্যাল মলম - পাতলা আস্তরণ প্রয়োগ করুন
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে একবার বা দুইবার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: ত্বকের আক্রান্ত স্থানে
সেবনবিধি

আক্রান্ত স্থানে দিনে দুইবার ফ্লুটিকাসোন প্রোপিওনেট অয়েন্টমেন্ট ০.০০৫% এর পাতলা প্রলেপ দিন এবং আলতো করে ঘষুন। এই ওষুধটি শুধুমাত্র বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য এবং চোখ, মুখ বা যোনিপথে ব্যবহার করা যাবে না। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মুখমণ্ডল, কুঁচকি বা বগলে এটি প্রয়োগ করবেন না এবং আক্রান্ত স্থান ব্যান্ডেজ বা প্লাস্টার দিয়ে ঢেকে রাখবেন না। হাত ব্যতীত শরীরের অন্য কোনো স্থানের চিকিৎসার ক্ষেত্রে, ওষুধ ব্যবহারের আগে ও পরে হাত ভালোভাবে ধুয়ে নিন। এটি প্রাপ্তবয়স্কদের প্রদাহজনিত চর্মরোগের চিকিৎসায় নির্দেশিত হলেও, শিশুদের ক্ষেত্রে এই অয়েন্টমেন্ট ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না কারণ এতে সিস্টেমিক অ্যাবসর্পশন এবং এইচপিএ (HPA) এক্সিস দমনের ঝুঁকি থাকে। রোগ নিয়ন্ত্রণে আসার পর এটি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে; দুই সপ্তাহের মধ্যে কোনো উন্নতি না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
CYP3A4 inhibitors (e.g. ritonavir)
রক্তে ওষুধের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ

তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।