ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: উন্নত বা স্থানীয়ভাবে উন্নত স্তন ক্যান্সার
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
অবস্থা: যেসব নারী অ্যান্টি-ইস্ট্রোজেন থেরাপিতে আর সাড়া দিচ্ছেন না
ডোজ: ওরাল - ২৫ মিলিগ্রাম
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক একবার

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: শিশু
ডোজ: প্রযোজ্য নয় - শিশুদের ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত কোনো মাত্রা উপলব্ধ নেই
বিশেষ দ্রষ্টব্য: শিশুদের ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত কোনো মাত্রা উপলব্ধ নেই
সেবনবিধি

এক্সেমেস্টেন সাধারণত প্রতিদিন একবার ২৫ মিলিগ্রামের একটি ট্যাবলেট হিসেবে খাবারের পর মুখে সেবন করা হয়, যা শোষণে সহায়তা করে। এটি ইস্ট্রোজেন-রিসেপ্টর পজিটিভ প্রারম্ভিক বা উন্নত স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত মেনোপজ পরবর্তী মহিলাদের জন্য নির্দেশিত। রিফাম্পিসিন বা ফিনাইটোইনের মতো শক্তিশালী CYP3A4 ইনডিউসারগুলোর সাথে একসাথে ব্যবহারের ক্ষেত্রে ডোজ পরিবর্তন করে প্রতিদিন ৫০ মিলিগ্রাম করা প্রয়োজন। যকৃত বা বৃক্কের সমস্যার জন্য সাধারণত নির্দিষ্ট ডোজ সমন্বয়ের প্রয়োজন না হলেও রোগীদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা উচিত। ভ্রূণের ক্ষতির সম্ভাবনার কারণে মেনোপজ পূর্ববর্তী মহিলা এবং গর্ভাবস্থায় এটি ব্যবহার করা নিষেধ। চিকিৎসা শুরুর আগে এবং চলাকালীন ভিটামিন ডি এর মাত্রা এবং হাড়ের খনিজ ঘনত্ব (বোন মিনারেল ডেনসিটি) পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
CYP3A4 enzyme inducers
রক্তে এক্সেমেস্টেনের মাত্রা কমে যেতে পারে
Oestrogen-containing drugs, St. John's wort, black cohosh, dong quai
প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে, কিন্তু প্রভাব উল্লেখ করা হয়নি

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ

তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।