ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: ভিসারাল লিশম্যানিয়াসিস
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ট্যাবলেট - ১০০-১৫০ mg/দিন
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক একবার
সময়কাল: 28 দিন
বিশেষ দ্রষ্টব্য: মুখের মাধ্যমে সেব্য (ওরাল)

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: শিশু
ডোজ: ওরাল - ২.৫ mg/kg/দিন
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক দুইবার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: মুখের মাধ্যমে (ওরাল)
বয়স: 12 বছরের বেশি
ডোজ: ওরাল - ১০০ mg/দিন
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক দুইবার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: মুখের মাধ্যমে (ওরাল)
সেবনবিধি

মিল্টেফোসিন ক্যাপসুল ২৮ দিন টানা মুখে সেবন করতে হবে, বিশেষ করে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সহনশীলতা বৃদ্ধির জন্য খাবারের সাথে সেবন করুন। ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশুদের ক্ষেত্রে ডোজটি ওজনের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত: যাদের ওজন ৩০ থেকে ৪৪ কেজি তাদের দিনে দুবার ৫০ মিলিগ্রাম এবং যাদের ওজন ৪৫ কেজি বা তার বেশি তাদের দিনে তিনবার ৫০ মিলিগ্রাম সেবন করা উচিত। ক্যাপসুলগুলো অবশ্যই আস্ত গিলে ফেলতে হবে এবং কখনো চিবানো, গুঁড়ো করা বা ভাঙা যাবে না। চিকিৎসা শুরু করার আগে গর্ভাবস্থা পরীক্ষা করে নিশ্চিত করুন, কারণ মিল্টেফোসিন গর্ভাবস্থায় নিষিদ্ধ এবং চিকিৎসার সময় ও চিকিৎসার পর ৫ মাস পর্যন্ত কার্যকর জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। ১২ বছরের কম বয়সী শিশু বা ৩০ কেজির কম ওজনের রোগীদের ক্ষেত্রে এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয়।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
No interactions listed
কোন ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
একই সময়ে রেডিয়েশন থেরাপি
বিষক্রিয়া বৃদ্ধির ঝুঁকি

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Keep below 30°C temperature, away from light & moisture. Keep out of the reach of children.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।