ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: তীব্র ব্যথা
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ওরাল - 100 mg
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে দুইবার
সময়কাল: সর্বোচ্চ 15 দিন ব্যবহার করুন
নির্দেশনা: ডিসমেনোরিয়া
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ওরাল - 100 mg
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে দুইবার
সময়কাল: সর্বোচ্চ 15 দিন ব্যবহার করুন

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: পেডিয়াট্রিক
ডোজ: ট্যাবলেট - কোনো অনুমোদিত পেডিয়াট্রিক মাত্রা উপলব্ধ নেই
বিশেষ দ্রষ্টব্য: কোনো অনুমোদিত পেডিয়াট্রিক মাত্রা উপলব্ধ নেই
সেবনবিধি

পেটে জ্বালাপোড়া কমানোর জন্য দিনে দুবার, বিশেষ করে খাবারের পরে মুখে সেবন করুন। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য অনুমোদিত ডোজ হলো ১০০ মি.গ্রা. দিনে দুবার, যা সর্বোচ্চ ১৫ দিন পর্যন্ত ব্যবহার করা যেতে পারে। ট্যাবলেটগুলো এক গ্লাস পানি দিয়ে চিবানো ছাড়া গিলে ফেলতে হবে। এর ব্যবহার তীব্র ব্যথা, প্রাথমিক ঋতুশূল (dysmenorrhea) এবং অস্টিওআর্থ্রাইটিস এর মধ্যে সীমাবদ্ধ। লিভারের সমস্যার ঝুঁকি থাকায় যকৃতের অক্ষমতা রয়েছে এমন রোগীদের জন্য এটি নিষিদ্ধ; লক্ষণ দেখা দিলে লিভারের কার্যকারিতা পরীক্ষা করুন। গুরুতর কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন। শিশু রোগীদের ক্ষেত্রে এর নিরাপত্তা এবং কার্যকারিতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
Anti-convulsants, anti-fungals, anti-tuberculous drugs, tacrine, pemoline, amiodarone, methotrexate, methyldopa, amoxicillin/clavulanic acid
যকৃতের বিষক্রিয়ার প্রভাব বাড়ে
Furosemide
মৌখিক জৈব প্রাপ্যতা এবং মূত্রবর্ধক প্রতিক্রিয়া কমাতে পারে

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
সক্রিয় গ্যাস্ট্রিক রক্তক্ষরণ
রক্তক্ষরণ বৃদ্ধির ঝুঁকি
গুরুতর কিডনি/হৃদযন্ত্রের বিকল
অঙ্গ ক্ষতির ঝুঁকি

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Protect from heat and humidity; store at <25°C.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।