ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: ট্যাবলেট - ১ থেকে ২ ট্যাবলেট ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক তিন বার বিশেষ দ্রষ্টব্য: খাবারের পর সেবন করুন। |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: শিশু |
ডোজ: প্রযোজ্য নয় - কোনো অনুমোদিত ডোজ নেই বিশেষ দ্রষ্টব্য: কোনো অনুমোদিত শিশুর ডোজ উপলব্ধ নেই |
সেবনবিধি
বেটাহিসটিন মেসিলেট ট্যাবলেট হিসেবে সাধারণত প্রতিদিন তিনটি বিভক্ত ডোজে মুখে সেবন করা হয়। বদহজম বা বমি বমি ভাবের মতো সম্ভাব্য গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমাতে খাবার চলাকালীন বা খাবারের পরে ওষুধটি সেবন করার পরামর্শ দেওয়া হয়। ট্যাবলেটগুলো পানি দিয়ে আস্ত গিলে ফেলা উচিত এবং গুঁড়ো করা বা চিবানো যাবে না। রোগীর প্রতিক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে ডোজ আলাদাভাবে সমন্বয় করা উচিত, যার দৈনিক সর্বোচ্চ সীমা ৪৮ মি.গ্রা.। পর্যাপ্ত নিরাপত্তার তথ্যের অভাবে সাধারণত ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না। ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা, পেপটিক আলসার বা ফিওক্রোমোসাইটোমা রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার পরামর্শ দেওয়া হয় এবং অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধের সাথে এর সমসাময়িক ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত কারণ এটি থেরাপিউটিক কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- র্যাশ
- চুলকানি
- ছুলি
- বদহজম
- বমি বমি ভাব
- পেপটিক আলসার ডিজিজ
- মাথাব্যথা
- অনিদ্রা
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
Antihistamines (Diphenhydramine, Loratadine, Levocetirizine, Cetirizine, Fexofenadine, Hydroxyzine, Bilastin)
|
প্রতিরোধ করতে পারে
|
|
Beta-2 agonists
|
ব্রংকোডাইলেটর প্রভাব কমাতে পারে
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
ফিওক্রোমোসাইটোমা, পরফিরিয়া
|
তীব্র আক্রমণ শুরু করতে পারে
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।