ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক |
ডোজ: অফথালমিক মলম - অল্প পরিমাণ ফ্রিকোয়েন্সি: ঘুমানোর সময় |
শিশুদের মাত্রা
| ক্লিনিক্যাল তথ্য | সেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী |
|---|---|
|
নির্দেশনা: শুষ্ক চোখের সমস্যা বয়স: শিশু |
ডোজ: মলম - পাতলা রিবন (1-1.5 cm) ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক একবার বা দুইবার অথবা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী বিশেষ দ্রষ্টব্য: অফথালমিক |
|
নির্দেশনা: এক্সপোজার কেরাটাইটিস বয়স: শিশু |
ডোজ: মলম - পাতলা রিবন (1-1.5 cm) ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক একবার বা দুইবার অথবা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী বিশেষ দ্রষ্টব্য: অফথালমিক |
সেবনবিধি
আক্রান্ত চোখের নিচের পাতা আলতো করে টেনে ধরে পকেটের মধ্যে ১ থেকে ১.৫ সেন্টিমিটারের একটি ছোট রিবন প্রয়োগের মাধ্যমে এই জীবাণুমুক্ত চোখের মলমটি টপিক্যালি ব্যবহার করুন। শুষ্ক চোখের উপসর্গ থেকে সর্বোত্তম উপশমের জন্য রাতে ঘুমানোর আগে এটি ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয় কারণ এর ফলে সাময়িকভাবে দৃষ্টি ঝাপসা হতে পারে, যদিও প্রয়োজনে দিনের বেলাতেও এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। ব্যবহারের আগে হাত ধুয়ে নিন এবং দূষণ এড়াতে টিউবের ডগা যেন চোখ, চোখের পাতা বা অন্য কোনো পৃষ্ঠ স্পর্শ না করে তা নিশ্চিত করুন। কন্টাক্ট লেন্স পরা অবস্থায় এই মলমটি ব্যবহার করা উচিত নয়; ব্যবহারের অন্তত ৩০ মিনিট পর লেন্স পরুন। যদি চোখে ব্যথা, ক্রমাগত লালভাব বা দৃষ্টির পরিবর্তন ঘটে তবে ব্যবহার বন্ধ করুন। খোলার এক মাসের মধ্যে এটি ব্যবহার করুন।
পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
- চোখের জ্বালাপোড়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া
| Drug Name | Risk Factors |
|---|---|
|
No interactions listed
|
কোন পারস্পরিক প্রতিক্রিয়া নেই
|
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া
| Disease Name | Risk Factors |
|---|---|
|
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
|
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন
|
গর্ভাবস্থায়
গর্ভাবস্থায়
স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
তথ্যের উৎস
এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:
সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।