ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: অ্যানোজেনিটাল ওয়ার্টস
বয়স: বয়স্ক
ডোজ: ৩.৭৫% ক্রিম - আক্রান্ত স্থানে পাতলা করে প্রয়োগ করুন
ফ্রিকোয়েন্সি: দৈনিক একবার
সময়কাল: সম্পূর্ণ দূর না হওয়া পর্যন্ত বা সর্বোচ্চ 8 সপ্তাহ মেয়াদের জন্য
নির্দেশনা: অ্যানোজেনিটাল ওয়ার্টস
বয়স: বয়স্ক
ডোজ: ৫% ক্রিম - আক্রান্ত স্থানে পাতলা করে প্রয়োগ করুন
ফ্রিকোয়েন্সি: সপ্তাহে 3 বার (পরপর না এমন দিনে)
সময়কাল: সর্বোচ্চ 16 সপ্তাহ পর্যন্ত

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: 12 বছরের কম
ডোজ: প্রতিষ্ঠিত নয়
বিশেষ দ্রষ্টব্য: নিরাপত্তা এবং কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি
সেবনবিধি

ইমিকুইমড টপিকাল ক্রিম শুধুমাত্র ত্বকে ব্যবহার করুন; চোখ, ঠোঁট, নাক, যোনিপথ এবং মলদ্বার এড়িয়ে চলুন। অ্যাক্টিনিক কেরাটোসিসের ক্ষেত্রে, ১৬ সপ্তাহ ধরে সপ্তাহে দুইবার রাতে ঘুমানোর আগে একবার করে প্রয়োগ করুন। সুপারফিসিয়াল বেসাল সেল কার্সিনোমার জন্য, ৬ সপ্তাহ ধরে সপ্তাহে ৫ বার ব্যবহার করুন। বাহ্যিক জননাঙ্গ বা মলদ্বারের আঁচিলের ক্ষেত্রে, নিরাময় না হওয়া পর্যন্ত বা সর্বোচ্চ ১৬ সপ্তাহ পর্যন্ত সপ্তাহে ৩ বার প্রয়োগ করুন। ব্যবহারের আগে ও পরে হাত ধুয়ে নিন এবং প্রয়োগের ৬ থেকে ১০ ঘণ্টা পর আক্রান্ত স্থানটি মৃদু সাবান ও পানি দিয়ে পরিষ্কার করুন। এটি ব্যবহারের পর ব্যান্ডেজ বা প্লাস্টার দিয়ে ঢেকে দেবেন না। ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে জননাঙ্গের আঁচিলের চিকিৎসায় এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রমাণিত নয়। ত্বকের তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে চিকিৎসা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখুন।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
No interactions listed
-

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
স্বপ্রতিরোধী রোগ
স্বপ্রতিরোধী প্রতিক্রিয়া বাড়াতে পারে

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Store in a cool & dry place, protected from light. Store at 4°-25°C.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।