ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: ডায়রিয়া-প্রধান ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (IBS-D)
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ট্যাবলেট - 100 mg
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে দুইবার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: খাবারের সাথে গ্রহণ করুন; যেসব রোগীর 4 দিনের বেশি সময় ধরে তীব্র কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয় তাদের ক্ষেত্রে ব্যবহার বন্ধ করুন
নির্দেশনা: ডায়রিয়া-প্রধান ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (IBS-D)
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
অবস্থা: মৃদু থেকে মাঝারি হেপাটিক ইমপেয়ারমেন্ট (Child-Pugh A অথবা B)
ডোজ: ট্যাবলেট - 75 mg
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে দুইবার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ কাজকর্ম সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় মানসিক বা শারীরিক সক্ষমতা ব্যাহত হচ্ছে কিনা তা নজরদারিতে রাখুন

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: শিশু
ডোজ: মাত্রার বিবরণ - উপলব্ধ নেই
বিশেষ দ্রষ্টব্য: কোনো অনুমোদিত পেডিয়াট্রিক মাত্রা উপলব্ধ নেই
সেবনবিধি

খাবারসহ প্রতিদিন দুবার মুখে সেবন করুন। প্রস্তাবিত ডোজ হলো ১০০ মি.গ্রা. দিনে দুবার। ট্যাবলেটগুলো আস্ত গিলে ফেলা উচিত; গুঁড়ো করবেন না বা চিবিয়ে খাবেন না। মৃদু থেকে মাঝারি লিভারের সমস্যায় (Child-Pugh A বা B) ডোজ কমিয়ে ৭৫ মি.গ্রা. দিনে দুবার করুন। তীব্র লিভারের সমস্যা (Child-Pugh C), পিত্তনালীর বাধা বা অগ্ন্যাশয় প্রদাহের (Pancreatitis) ইতিহাস থাকলে এটি ব্যবহার করা যাবে না। যদি ৪ দিনের বেশি সময় ধরে তীব্র কোষ্ঠকাঠিন্য থাকে, তবে অবিলম্বে সেবন বন্ধ করুন। শিশুদের ক্ষেত্রে এর সুরক্ষা এবং কার্যকারিতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
No interactions listed
-

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
পিত্তথলি না থাকা
ওডি স্ফিংটারের পেশী সংকোচনের ঝুঁকি
পিত্তথলি/পিত্তনালী অবরোধ
পিত্তনালীর জটিলতা বাড়াতে পারে

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Store in a cool & dry place, protect from light. Keep out of the reach of children.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।