ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: পালমোনারি হাইপারটেনশন
বয়স: বয়স্ক: 12 বছরের বেশি
ডোজ: মুখে - 62.5 mg
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে দুইবার
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রাথমিক এবং রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা
নির্দেশনা: পালমোনারি হাইপারটেনশন
বয়স: বয়স্ক: 12 বছরের বেশি
অবস্থা: প্রাথমিক চিকিৎসা
ডোজ: মুখে - 62.5 mg
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে দুইবার
সময়কাল: 4 সপ্তাহ

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: পালমোনারি আর্টারিয়াল হাইপারটেনশন
বয়স: 3 বছরের কম
ডোজ: প্রযোজ্য নয় - প্রযোজ্য নয়
বিশেষ দ্রষ্টব্য: সুরক্ষা এবং কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি
নির্দেশনা: পালমোনারি আর্টারিয়াল হাইপারটেনশন
বয়স: 3 থেকে 12 বছরের বেশি
ডোজ: রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা - 16 mg
ফ্রিকোয়েন্সি: দিনে দুইবার

কিডনি রোগীদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
অবস্থা: কিডনির সমস্যা বা ডায়ালাইসিস
ডোজ: নির্দিষ্ট করা নেই - নির্দিষ্ট করা নেই
বিশেষ দ্রষ্টব্য: রেনাল ইমপেয়ারমেন্ট বা ডায়ালাইসিসের রোগীদের ক্ষেত্রে মাত্রা সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই।
সেবনবিধি

সকালে এবং সন্ধ্যায় দিনে দুবার খাবারের সাথে বা খাবার ছাড়া মুখে সেবন করুন। থেরাপি শুরু করার আগে এবং পরবর্তীতে প্রতি মাসে লিভার অ্যামিনোট্রান্সফারেজ পরীক্ষা করুন। বৃক্কের সমস্যা বা ডায়ালাইসিস করা রোগীদের ক্ষেত্রে ডোজ সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই। হঠাৎ করে সেবন বন্ধ করবেন না; বন্ধ করার আগে ডোজ কমানোর কথা বিবেচনা করুন।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
CYP3A4 inhibitors, CYP2C9 inhibitors
বোসেনটানের মাত্রা বৃদ্ধি
Rifampicin
প্রাথমিকভাবে বৃদ্ধি কিন্তু পরবর্তীতে ঘনত্ব কমায়

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
WHO ক্লাস II লক্ষণ
লিভার বিষক্রিয়ার ঝুঁকি

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ
Store below 30°C. Store in a cool and dry place, protected from light. Keep out of children’s reach.

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।