ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
নির্দেশনা: কাশি
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ক্যাপসুল - 100 mg
ফ্রিকোয়েন্সি: প্রতি 8 ঘণ্টায়
বিশেষ দ্রষ্টব্য: সর্বোচ্চ 600 mg/দিন
নির্দেশনা: কাশি
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
ডোজ: ক্যাপসুল - 150 mg
ফ্রিকোয়েন্সি: প্রতি 8 ঘণ্টায়
বিশেষ দ্রষ্টব্য: সর্বোচ্চ 600 mg/দিন

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: 10 বছরের কম
ডোজ: প্রযোজ্য নয়
বিশেষ দ্রষ্টব্য: নিরাপত্তা এবং কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি
নির্দেশনা: কাশি
বয়স: 10 বছরের বেশি
ডোজ: ক্যাপসুল - 100 mg, 150 mg, 200 mg
ফ্রিকোয়েন্সি: প্রতি 8 ঘণ্টায়
বিশেষ দ্রষ্টব্য: সর্বোচ্চ 600 mg/দিন
সেবনবিধি

কাশির উপশমের জন্য বেনজোনেটাত (Benzonatate) মুখে সেবনযোগ্য লিকুইড-ভর্তি ক্যাপসুল হিসেবে সাধারণত দিনে তিনবার প্রয়োজন অনুযায়ী গ্রহণ করা হয়। এটি খাবারের সাথে বা খাবার ছাড়াও নেওয়া যেতে পারে। ক্যাপসুলগুলো অবশ্যই আস্ত গিলে ফেলতে হবে; এগুলো ভাঙা, চিবানো, গলানো, কাটা বা গুঁড়ো করা যাবে না। কারণ মুখের ভেতর ওষুধটি মুক্ত হলে দ্রুত ওরোফ্যারিঞ্জিয়াল অ্যানেশেসিয়া (গলা ও মুখ অসাড় হওয়া) হতে পারে, যার ফলে দমবন্ধ হওয়া বা গুরুতর অতিসংবেদনশীল প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। এটি ১০ বছরের বেশি বয়সী শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্কদের ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত, যার সর্বোচ্চ দৈনিক মাত্রা ৬০০ মিলিগ্রাম। মারাত্মক দুর্ঘটনার ঝুঁকির কারণে ১০ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য এটি সুপারিশ করা হয় না। বৃক্ক বা যকৃতের সমস্যার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো ডোজ সমন্বয়ের প্রয়োজন নেই, তবে চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণ জরুরি।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
No interactions listed
কোনো ওষুধের মিথস্ক্রিয়া জানা নেই

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
বেনজোনাটেট এর প্রতি অতিসংবেদনশীলতা
অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ

তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।