ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: প্রাপ্তবয়স্ক
অবস্থা: ডায়ালাইসিস
ডোজ: কনসেন্ট্রেট - 5 লিটার
ফ্রিকোয়েন্সি: প্রতি ডায়ালাইসিসে বা প্রয়োজন অনুযায়ী

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: শিশু
ডোজ: অনুমোদিত পেডিয়াট্রিক মাত্রা পাওয়া যায়নি
বিশেষ দ্রষ্টব্য: পরামর্শ দেওয়া হয় না
সেবনবিধি

হেমোডায়ালাইসিস দ্রবণ যাতে সোডিয়াম ক্লোরাইড, পটাশিয়াম ক্লোরাইড, ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড, ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড এবং গ্লেসিয়াল অ্যাসিটিক অ্যাসিড থাকে তা হেমোডায়ালাইসিস বা হেমোডায়াফিল্ট্রেশনের মাধ্যমে প্রয়োগ করা হয়। এই ঘনীভূত মিশ্রণগুলো ব্যবহারের আগে অবশ্যই বিশুদ্ধ পানি দিয়ে পাতলা বা পুনর্গঠিত করতে হবে এবং একটি ক্যালিব্রেটেড প্রপোর্শনিং সিস্টেম ব্যবহার করে বাইকার্বোনেট বাফারের সাথে মিশ্রিত করতে হবে। দ্রবণটি একটি ডায়ালাইসিস মেমব্রেনের মাধ্যমে শরীরের বাইরে (extracorporeally) সরবরাহ করা হয় এবং প্রবাহের হার রোগীর তরল ও ইলেক্ট্রোলাইট অবস্থার উপর ভিত্তি করে চিকিৎসক নির্ধারণ করেন। প্রয়োগের আগে, দ্রবণটি পরিষ্কার এবং পাত্রটি অক্ষত আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন। পুরো চিকিত্সা চলাকালীন সিরাম ইলেক্ট্রোলাইট, অ্যাসিড-বেস ভারসাম্য এবং গ্লুকোজের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা অপরিহার্য। বিশেষ করে গুরুতর কিডনি বিকলতা বা ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার ঝুঁকিতে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত ক্লিনিকাল প্রয়োজনীয়তার উপর ভিত্তি করে ইলেক্ট্রোলাইট ঘনত্ব সামঞ্জস্য করা উচিত। শিশু এবং বয়স্কদের ক্ষেত্রে ডোজ নির্ধারণের জন্য সতর্ক ক্লিনিকাল মূল্যায়ন এবং পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
No interactions listed
-

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা তালিকাভুক্ত নেই
সাধারণ প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করুন

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ

তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।