ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

নির্দেশনা

ঔষধ নিয়ে জানি, সঠিক নিয়ম মানি

প্রাপ্তবয়স্কদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
অবস্থা: প্রয়োজন অনুযায়ী ধীর গতিতে ইন্ট্রাভেনাস বা গভীর ইন্ট্রামাসকুলার
ডোজ: ইনজেকশন - নির্দিষ্ট করা নেই
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রয়োজন অনুযায়ী ধীরে ধীরে ইন্ট্রাভেনাস ইনজেকশন বা গভীর ইন্ট্রামাসকুলার ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রয়োগ করুন।

শিশুদের মাত্রা

ক্লিনিক্যাল তথ্যসেবনবিধি ও নির্দেশনাবলী
বয়স: শিশু
ডোজ: মাত্রা - অনুমোদিত পেডিয়াট্রিক মাত্রা পাওয়া যায়নি
বিশেষ দ্রষ্টব্য: অনুমোদিত পেডিয়াট্রিক মাত্রা পাওয়া যায়নি
সেবনবিধি

ক্যালসিয়াম প্যান্টোথেনেট মুখে সেবন করা হয়, সাধারণত ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল হিসেবে এবং শোষণ উন্নত করতে ও সম্ভাব্য গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল অস্বস্তি কমাতে খাবারের সাথে নেওয়া উচিত। ট্যাবলেটগুলো এক গ্লাস পানি দিয়ে আস্ত গিলে ফেলতে হবে এবং সঠিক নিঃসরণ নিশ্চিত করতে এগুলো গুঁড়ো করা, চিবানো বা ভাঙা উচিত নয়। পুষ্টির পরিপূরক হিসেবে, প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা সাধারণত প্রতিদিন ৫ থেকে ১০ মিলিগ্রাম, যদিও অভাবজনিত সমস্যার জন্য চিকিৎসীয় মাত্রা ব্যক্তিগত প্রয়োজনের ভিত্তিতে একজন চিকিৎসক নির্ধারণ করেন। নির্ধারিত মাত্রায় ব্যবহারের ক্ষেত্রে বৃক্ক বা যকৃতের সমস্যার জন্য সাধারণত বিশেষ কোনো ডোজ সমন্বয়ের প্রয়োজন হয় না। গর্ভাবস্থায় এবং স্তন্যদানকালে নির্ধারিত মাত্রার মধ্যে এটি সাধারণত নিরাপদ হলেও, এই ক্ষেত্রে থেরাপি শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়। অতিরিক্ত মাত্রায় ডায়রিয়ার মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। প্যান্টোথেনিক অ্যাসিডের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা থাকলে এটি ব্যবহার করা এড়িয়ে চলতে হবে।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

ঔষধ-ঔষধ মিথষ্ক্রিয়া

Drug NameRisk Factors
No interactions listed
-

ঔষধ-রোগ মিথষ্ক্রিয়া

Disease NameRisk Factors
হাইপারক্যালসেমিয়া, হাইপারক্যালসিউরিয়া
ক্যালসিয়ামের মাত্রা আরও বাড়াতে পারে

গর্ভাবস্থায়

স্তন্যদানকালীন
বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার
সাবধানতা
মাত্রাধিক্যতা
ফার্মাকোলজি
সংরক্ষণ

তথ্য শীঘ্রই যোগ করা হবে

তথ্যের উৎস

এই পৃষ্ঠার ক্লিনিকাল ও নিয়ন্ত্রক তথ্য নিম্নলিখিত সরকারি উৎস থেকে সংকলিত:

সতর্কবার্তা: ওষুধের এই তথ্য কেবল শিক্ষামূলক ও সাধারণ সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। যেকোনো শারীরিক সমস্যা, চিকিৎসাগত পরামর্শ ও সঠিক চিকিৎসার জন্য রোগীদের সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।